ব্রেকিং নিউজঃ

বকেয়া বেতনের দাবি ও সহকর্মীদের মৃত্যুর গুজবে পোশাক কারখানার শ্রমিকরা ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবরুদ্ধ

বকেয়া বেতনের দাবি ও সহকর্মীদের মৃত্যুর গুজবে পোশাক কারখানার শ্রমিকরা ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবরুদ্ধ
Content TOP

সাগর আহামেদ মিলনঃ গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ডেগেরচালা এলাকায় নিট অ্যান্ড নিটেক্স লিমিটেডের শ্রমিকরা সহকর্মীদের মৃত্যুর গুজবে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবরুদ্ধ ও বিক্ষোভ করে। শ্রমিকদের এই বিক্ষোভের ফলে টঙ্গী থেকে সালনা পর্যন্ত সড়কে সকাল ১০টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ থাকে। এই সময়ে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। সড়কের দুই দিকে তৈরি হয় ব্যাপক যানজট। পুলিশ ও শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বকেয়া বেতনের দাবিতে তারা বিক্ষোভ করে। আরো জানাযায় শনিবার রাতে কারখানার পানি খেয়ে বেশ কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ে এই খবর শুনে রোববার সকাল ১০টার দিকে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে এলে পরিস্থিতি বিস্ফোরন্মুখ হয়ে ওঠে। গাছা থানার ওসি কাজী ইসমাইল হোসেন জানান, ঈদের আগে ওই কারখানায় অগাস্ট মাসের অর্ধেক বেতন দেওয়া হয়। বাকি টাকা ১২ সেপ্টম্বর দেওয়ার কথা থাকলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ বেতন না দিতে পারায় শনিবার রাত ১০টার দিকেও তারা মহাসড়কে অবস্থান নেয় এবং বিক্ষোভ করে পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কারখানার শ্রমিক আমেনা বেগম, বলেন আমাদের বেতন না দিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার পাঁয়তারা করছিল। শ্রমিকদের যাতে বেতন না দিতে হয়, সেজন্য কৌশলে তারা ট্যাংকের পানির সঙ্গে কিছু মিশিয়ে দিয়েছে। ওই পানি খেয়ে বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েছে তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর জের ধরে নিট অ্যান্ড নিটেক্স লিমিটেডের কর্মীরা রোববার সকালে কাজে যোগ না দিয়ে কারখানার ফটকে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। এর মধ্যে কারখানার পানি খেয়ে অসুস্থ কয়েকজনের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা মহাসড়কে অবস্থান নেয় এবং টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। গাছা থানার ওসি কাজী ইসমাইল হোসেন জানান নিটেক্স কারখানাসহ আশপাশের কয়েকটি কারখানায় ভাংচুর চালানো হয়। আশপাশের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা পরে বিক্ষোভে যোগ দেয়। পুলিশ কয়েক দফা শ্রমিকদের সরানোর চেষ্টা করলে শ্রমিকদের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ টিয়ার শেল ছুড়ে শ্রমিকদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিলে বেলা আড়াইটার দিকে মহাসড়কে আবার যান চলাচল শুরু হয়।গাজীপুর শিল্প পুলিশের এএসপি আমিরুল আলম বলেন পানি পানে মৃত্যুর বিষয়টি পুরোপুরি গুজব। কারও মারা যাওয়ার খবরের কোনো সত্যতা আমরা পাইনি।

Content TOP

Related posts

Leave a Reply

body banner camera