যে সমস্যা হলে কখনই বাবা হতে পারবেন না

যে সমস্যা হলে কখনই বাবা হতে পারবেন না
Content TOP

সাধারণত স্বামী ও স্ত্রীর মিলিত সহমতেই সন্তান পৃথিবীতে আসে। এক্ষেত্রে নারীরা যেমন সন্তানকে গর্ভে ধারণ ও বহন করে, তেমনই পুরুষেরও দায়িত্ব কিছু কম থাকে না।

গর্ভধারণের জন্য নারী ও পুরুষ দুইজনকেই সমান পারফেক্ট হতে হয়। এক্ষেত্রে উর্বরতা বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে।

নারীদের পাশাপাশি পুরুষদের ক্ষেত্রেও বীর্যের গুণমাণ ভালো হতে হয়। এছাড়া আরও হাজারো বিষয় রয়েছে যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নারীরা সুস্থ থাকলেই শুধু হবে না। পুরুষদের কোনোরকম অক্ষমতাও সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে সমান বাধার সৃষ্টি করতে পারে।

যেকোনো বয়সেই পুরুষদের বীর্য যেমন সন্তানের জন্ম দিতে পারে, তেমনই তার গুণমান বজায় না থাকলে যেকোনও বয়সের পুরুষই সমস্যায় পড়তে পারে।

পুরুষের এমন কিছু বিষয় রয়েছে যা পুরুষত্বে বাধার সৃষ্টি করতে পারে এবং কখনও বাবা হওয়া যায় না।

কম স্পার্ম কাউন্ট : যদি কোনো দম্পতি সন্তানসুখ পেতে চান তাহলে পুরুষের স্পার্ম কাউন্ট কম হলে চলবে না। স্পার্ম কাউন্ট কম থাকলে নারীর গর্ভে সন্তান কখনই আসবে না।

হরমোনের ভারসাম্যহীনতা : পৃথিবীজুড়ে বহু পুরুষ বন্ধাত্ব্য সমস্যায় ভুগছে। আগে একসময় ভাবা হতো এই সমস্যা শুধু নারীদেরই, পুরুষদের না। কিন্তু পরে জানা গেছে, পুরুষের সমস্যাও একইরকম। পুরুষের শরীরের হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ঘটলে সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হয়ে পড়ে।

শীঘ্রবীর্যপতন: শীঘ্রবীর্যপতনের ফলে পুরুষদের বীর্যে স্পার্ম কাউন্ট কম হয়। যার ফলে সন্তান জন্মের সম্ভাবনা কমে যায়। ডায়বেটিস, শিরদাঁড়ায় আঘাত বা প্রস্টেট সংক্রান্ত সমস্যায় শীঘ্রপতনের সমস্যা হয়ে থাকে।

স্পার্ম বহন : পুরুষাঙ্গে ভিতরে অনেকগুলি ভিন্ন টিউব থাকে যা স্পার্ম বহন করে। নানা সময়ে যেমন কোনও সার্জারি বা অন্য কিছু কারণে তা আটকে যেতে পারে। এর ফলে পুরুষের পুরুষত্ব বিঘ্ন হতে পারে।

ক্রোমোজোমের সমস্যা : ক্রোমোজোম জনিত সমস্যা বা ডিসঅর্ডারের কারণে পুরুষের সমস্যা হতে পারে। এর কারণে স্পার্ম কাউন্ট অনেকটা কমে যেতে পারে।

Content TOP

Related posts

body banner camera