ফলোআপ কুয়াকাটায় কলেজ প্রভাষকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন বিক্ষোভ মিছিল।। 

ফলোআপ  কুয়াকাটায় কলেজ প্রভাষকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন বিক্ষোভ মিছিল।। 
Content TOP
মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি, ০৬/১০/২০১৮ইং।।
কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রি কলেজ প্রভাষক ও সাংস্কৃতিককর্মী শহিদুল ইসলাম শাহিনের উপর হামলা, বাড়িঘরে ভাংচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে কুয়াকাটার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।
শনিবার বেলা ১১টায় কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন সড়কে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল রেব করেন।মিছিল শেষে কলেজের সম্মুখে সড়কে এসে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।
কন্নাভেজা কন্ঠে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সি.এম. সাইফুর রহমান খান বলেন, আমরা শিক্ষক সমাজ এই বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্ভে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করার জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান। তিনি আরও বলেন, আমরা আজ (শনিবার) কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট স্মারকলিপি পেশ করবো এবং আগামীকাল (রবিবার) উপজেলার সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একঘন্টার কর্মবিরতি পালন করবে। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, কলেজের প্রভাষক এম. জাকির হোসাইন, ফিরোজ আলম, সোহরাফ হোসাইন, ফরিদুর রহমান খান প্রমূখ।
একই সময় লতাচাপলী ইউনিয়নের কুয়াকাটা বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ফাতেমা হাই মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মুসুল্লীয়াবাদ এ.কে মাধ্যমিক বিদ্যালয় মানববন্ধন করেছেন। মানববন্ধনে কুয়াকাটা বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান, সহকারী শিক্ষক মাওঃ মাঈনুল ইসলাম মান্নান, নিজামউদ্দিন, ফাতেমা হাই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা, মুসুল্লীয়াবাদ এ.কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোরঞ্জন গাইন বক্তব্য রাখেন।
উল্লেখ্য যে, গত শুক্রবার বিকালে কুয়াকাটা খানাবাদ কলেজের প্রভাষক শহিদুল ইসলাম শাহিন ও তার স্ত্রী শিক্ষিকা শাহিনুর বেগমের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করেছে সন্ত্রাসীরা। বাড়িঘর দখলের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়ে নগত ১২ লক্ষ টাকাসহ জমির দলিলপত্র লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।এসময় ৩টি সিসি টিভি ক্যামেরা, মনিটরসহ বসত ঘরের আসবাবপত্রে ব্যাপক ভাংচুর চালানো হয়। সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত শহিদুল ইসলাম শাহীন, তার স্ত্রী শাহিনুর বেগম, বড় ভাই মিলন, বাড়ির কেয়ারটেকার ও ভাড়াটিয়াসহ ৫জন আহত হয়।
আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় প্রভাষক শহিদুল ইসলাম শাহীনকে কুয়াকাটা হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মনিরুজ্জামান তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। বর্তমানে তিনি বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
এদিকে ঘটনার দিন রাত ৩টার দিকে প্রভাষক শহিদুল ইসলাম শাহিনের স্ত্রী শাহিনুর বেগম বাদী হয়ে মহিপুর থানায় ০৪/১৮নং একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আঃ রহিম মুকুলকে প্রধান আসামী করে মোঃ নাসির, মোঃ জাকারিয়া, মোঃ নুরআলমসহ অজ্ঞাত ৫/৬জনকে আসামী করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
Content TOP

Related posts

Leave a Reply

body banner camera