পাথরঘাটায় টাকা দিয়েও প্রবেশ পত্র হাতে পাননি অর্ধশত শিক্ষার্থীরা

পাথরঘাটায় টাকা দিয়েও প্রবেশ পত্র হাতে পাননি অর্ধশত শিক্ষার্থীরা
Content TOP
মোহাম্মাদ কাজী রাকিব, পাথরঘাটা (বরগুনা):-
এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আশার আলো দেখলেও তা নিভে গেছে বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর। পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের এসএসসির বাছনিক পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের ফরম পূরণ, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ, কোচিং এবং প্রাক্টিক্যাল পরীক্ষার ফি হিসেবে কাকচিড়া ইউনিয়নের জালিয়াঘাটা এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১৫ থেকে ২০হাজার টাকা করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষিকা একে-অপরকে দুষছেন।
পাথরঘাটায় টাকা দিয়েও প্রবেশ পত্র হাতে পাননি অর্ধশত শিক্ষার্থীরা
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার কাকচিড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, লেমুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ কয়েকটি স্কুলের এসএসসির বাছনিক পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করানোর কথা বলে তাদেরকে জালিয়াঘাটা এসইএসডি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফেরদৌস খান ও সহকারী শিক্ষিকা দুলিয়া অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা নেয়। কিন্তু তাদের ফরম পূরণ করেও পরীক্ষর সময় জানতে পারে তাদের পরীক্ষার প্রবেশ পত্র আসেনি ওই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের। এ ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
 কবির হোসেন, লুৎফা বেগমসহ আরও কয়েকজন অভিভাবক বলেন, আমাদের কারো কাছ থেকে ১৫হাজার আবার কারো কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়েছেন প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস খান ও সহকারী শিক্ষিকা দুলিয়া। তারা আরও বলেন, ফেরদৌস খান ও সহকারী শিক্ষিকা দুলিয়া আমাদেরকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে বরিশাল নিয়ে অপমানও করিয়েছেন সহকারী শিক্ষিকা দুলিয়া সাংবাদিকদের বলেন, আমি কোন টাকা নিইনি টাকা নিয়েছেন প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস খান। ছাত্র-ছাত্রীরা টাকা দিয়েছি প্রধান শিক্ষক এর কাছে। তিনি আরও বলেন, আমার একটি ব্যাংক চেক ও রয়েছে প্রধান শিক্ষকের কাছে।
এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস খান বলেন, টাকা নেওয়ার ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। যদি নিয়ে থাকেন তা জানেন সহকারী শিক্ষিকা দুলিয়া। ফরমে আমার স্বাক্ষর থাকলেও অভিভাবকদের কাছ থেকে যে এত টাকা নিয়েছে তা আমি যানতাম না।
 পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি তবে কেউ আমার কাছে অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Content TOP

Related posts

Leave a Reply

body banner camera