brandbazaar globaire air conditioner
ব্রেকিং নিউজঃ

দোহারে মোটর সাইকেল চোর চক্রের মূল হোতা গ্রেপ্তার

দোহারে মোটর সাইকেল চোর চক্রের মূল হোতা গ্রেপ্তার
Content TOP

ঢাকা জেলা ও আন্তঃজেলা মোটর সাইকেল চোর চক্রের মূল হোতা মো. সাইদুল (২৫) কে গ্রেপ্তার করেছে দোহার থানা পুলিশ। মোটর সাইকেল ছিনতাইয়ের চেস্টার অভিযোগে গত শনিবার নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ সাইদুলকে নবাবগঞ্জের নতুন বান্দুরা থেকে আটক করে পুলিশ। এসময় তার কয়েকজন সহযোগিকেও আটক করে। পরে দোহার থানা পুলিশও সোমবার আরেকটি মামলায় সাইদুলকে গ্রেপ্তার দেখায়। সাইদুল ঢাকার দোহার উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের দোহার ঘাটা গ্রামের মো. বাবুল মৃর্ধার ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে দোহার ও নবাবগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে মোটর সাইকেল চুরি হচ্ছিল। এসব চুরির সাথে সাইদুল প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত বলে ধারনা করা হচ্ছে। এছাড়া অভিনব কায়দায় রাইড সার্ভিস পাঠাও ও উবারের ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল ভাড়া করে কৌশলে দোহার ও নবাবগঞ্জের নির্জন জায়গায় গিয়ে তা ছিনতাই করে নিয়ে যেত সাইদুল ও তার সহযোগিরা। পরে সাইদুল মোটর সাইকেলগুলো তার নানার বাড়ি নবাবগঞ্জ উপজেলার নতুন বান্দুরাসহ তার অন্যান্য আতœীয় স্বজনদের এলাকার বিভিন্ন স্থানে রাখত। মোটর সাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগে দোহার থানায় কয়েক মাস আগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। সেই মামলায় সাইদুলের এক মামা হাজতবাসও করেন। তবে সাইদুল ছিল ধরাছোয়ার বাইরে।

নবাবগঞ্জের নতুন বান্দুরা এলাকা থেকে সাইদুলকে গ্রেপ্তার করার সময় তার কাছ থেকে চোরাই পালসার ১৩৫ সিসির গাড়ি উদ্ধার করা হয়। দোহারের পাশাপাশি নবাবগঞ্জেও সাইদুল তৈরি করেছে কিশোর গ্যাং। অল্প বয়সি বখাটে যুবকদের নিয়ে সে তৈরি করেছে মোটর সাইকেল চুরি ও ছিনতাই চক্র। সাইদুল ও তার চক্রের কিশোর যুবকরা দোহার নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জের বেশির ভাগ মোটর সাইকেল ছিনতাই ও চুরির সাথে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়।

দোহার থানা পুলিশেল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইদুল তার দলের বেশ কয়েকজনের বিষয়ে তথ্য দেয়। তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে দোহার উপজেলার বিলাশপুর থেকে নাফিজ (২২) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নাফিজ বিলাশপুর গ্রামের মো. ধলা মিয়ার ছেলে।

দোহার থানার সেকেন্ড অফিসার সৌমেন মৈত্র  জানান, সাইদুল সহ আরও বেশ কয়েকজন আন্তঃজেলা মোটর সাইকেল চোর ও ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত। বেশ কয়েকটি অভিযানের পর আমরা প্রধান দুইজনকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি। তাদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি ৩৭৯/৪১১ ধারায় মামলা রুজু করে রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। খুব শিঘ্রই এই চক্রের সাথে জড়িত বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হবে।

Source : প্রিয় বাংলা

Content TOP

Related posts

body banner camera