ঠিকাদারদের অবহেলায় “স্বপ্নের ঠিকানা”  দু:স্বপ্নে পরিনত হওয়ার পথে

ঠিকাদারদের অবহেলায় “স্বপ্নের ঠিকানা”  দু:স্বপ্নে পরিনত হওয়ার পথে
Content TOP
মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ১৪ জুলাই।।
 কলাপাড়ার ধানখালী ইউনিয়নে অবস্থিত “স্বপ্নের ঠিকানা” এমন একটি ঠিকানার নাম, যে ঠিকানায় ক্ষতিগ্রস্থ জনগণের জন্য একটি স্বপ্নের আবাসস্থল তৈরি করেছে বাংলাদেশ সরকার।  ১৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মানে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার সদস্যদের বসবাসের জন্য বাংলাদেশ সরকার ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ নামক এ আবাসন প্রকল্পটি গড়ে তোলা হয়।
স্বপ্নের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি যখন নির্মাণ করার পরিকল্পনা হাতে নেয় সরকার তখন স্থানীয বহু মানুষ এই ভ‚মি অধিগ্রহণের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভ‚মিহীন হয়ে পডনে। বাংলাদেশ সরকার তখন এই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ায়। এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে বিশেষ একটি এলাকায অত্যাধুনিক আবাসন ব্যবস্থা সম্পন্ন গৃহ নির্মাণ করে দেয় সরকার, যার নামকরণ করা হয় স্বপ্নের ঠিকানা।বর্তমানে স্বপ্নের ঠিকানায় বসোবাস কারী প্রায় ১০০০ মানুষের চলাচলের জন্য কোন পাকা রাস্তা না থাকায় জনগন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
বিগত ৯ মাস আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে আবাসনটি হস্তান্তরিত করেন। কিন্তুু প্রজেক্টের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান “বিসিপিসিএল কোম্পানি”র অবহেলায় আজ অবদি উক্ত সড়ক টি নির্মান করা হয়নি।সামান্য বৃষ্টি হলেই এই কাঁচা সড়কটি পানিতে ডুবে একাকার হয়ে যায়। যার ফলে প্রায় ২০০ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা লাভের জন্য বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না।কর্মজীবী লোকরা সঠিক সময় কাজে যোগদান করতে পারছেন না।
গ্রামবাসী ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জনপ্রতিনিধিদেরকে বিষয়টি অবহিত করা হলেও  তারা দায় এড়িয়ি যাচ্ছে। এ বিষযে ধানখালী ইউনিযন পরিষদের চেযারম্যান রিয়াজ তালুকদার জানান, স্বপ্নের ঠিকানার এই রাস্তাটি করার জন্য গত কিছুদিন প‚র্বে বাংলাদেশ সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা যখন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন তখন আমি তাকে এ রাস্তাটি করার জন্য অনুরোধ করলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন এই রাস্তাটি অচিরেই করা হবে ।
বিসিপিসিএল কর্মকর্তা জারজিস তালুকদার জর্জ জানান, স্থানীয লোকদের জাযগা জমি সংক্রান্ত কিছু সমস্যা আছে । বর্ষাকাল শেষ হওযার পরই স্থানীয জন প্রতিনিধিদের নিয়ে সকল সমস্যার সমাধান করে স্বপ্নের ঠিকানার এই রাস্তাটি পাকাকরন করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, স্বপ্নের ঠিকানা আবাসনটি দিনে দিনে যেন দুঃস্বপ্নের ঠিকানায় পরিনত না হয় সেজন্য সরকারকে জোরালো পদক্ষেপ নিয়ে গুরুত্বপ‚র্ন এই সরকটি নির্মান সহ এর পার্শ্ববর্তী এলাকায সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য আরো নতুন নতুন কিছু প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত।
Content TOP

Related posts

body banner camera