ব্রেকিং নিউজঃ

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে সুনামগঞ্জের “জগদল কলেজ”এর শিক্ষার্থীরা

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে সুনামগঞ্জের “জগদল কলেজ”এর শিক্ষার্থীরা
bodybanner 00
মোঃ হুমায়ূন কবীর ফরীদি,জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
হেরা চাপাতি নদীর তীরবর্তী জগদল কলেজ এর সংযোগ সড়কটি পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার ফলে শিক্ষক -শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন।
সরেজমিনে দেখাযায়,হাওর কন্যা সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের অন্তরগত প্রত্যন্ত ভাটি বাংলার অনন্য জনপদ সবুজ শ্যামলের ছায়াঘেরা  জগদল গ্রামের বুক চিঁড়ে বয়ে যাওয়া হেরাচাপাতি নদীর তীরবর্তী স্থানে অবস্থিত  উচ্চ শিক্ষার একমাত্র বিদ্যাপীঠ  “জগদল কলেজ” এই বর্ষায় যাতায়াতের একমাত্র বাহন নৌকা।হালকা বাতাসে ঢেউয়ের অবিরত ঝাঁপটায় শিক্ষার্থী বোঝাই নৌকা এই বুঝি ডুববে। জীবন- মরনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীরা কলেজে আসা-যাওয়া করছে।
জানাযায়, ভাটি বাংলার সবুজ পল্লীতে এলাকার  মহান লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত উক্ত কলেজের, শিক্ষক মহোদয়,ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক  ও জন-সাধারনের যাতায়াতের সুবিধার্থে কলেজ থেকে পার্শ্ববর্তী স্থানীয় জগদল বাজারের সাথে সংযোগ করা হয় একটি সড়ক।কিন্তু সড়কটির প্রস্থ ও উচ্চতা পর্যাপ্ত পরিমাণ না হওয়ায় প্রতিবছর বর্ষা এলেই ডুবে যায়।যার ফলে অত্র কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রী তথা শিক্ষক ও জন-সাধারনকে যাতায়াতের ক্ষেত্রে অবর্ণনীয়  দুর্দশার শিকার হতে হয়।সম্মুখীন হতে হয় চরম ভোগান্তির।
জানাযায়, দিরাই পৌরসভার সাবেক মেয়র আজিজুর রহমান বুলবুলের আর্থিক  অনুদানে তৎসময়ে সড়কের কিছু উন্নয়ন হলেও পরবর্তীতে আর কোন সংস্কার করা হয়নি।এ ব্যাপারে আলাপকালে এলাকাবাসী ও কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পাভেল জামান সহ অত্র কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগের সুরে ক্ষোভের সহিত বলেন,বর্ষা মৌসূম এলেই এই সড়কটি প্রতি বছর পানির নীচে তলিয়ে যায়।ভাঙ্গা নৌকায় কলেজে যাওয়া – আসা করতে হয়। নানাবিদ সুযোগ-সুবিদা থাকার পরও দূর্দশায় ভুগছেন। ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসী আরো জানান, উক্ত কলেজের মালিকানাধীন  একটি ভাঙ্গা নৌকা দিয়ে প্রতিদিন  কলেজে আনা হয়।
শিক্ষার্থীরা এ ব্যাপারে কলেজের  প্রিন্সিপাল পংকজ কান্তি রায়ের শর্নাপন্ন হলেও সমস্যা সমাধানের কোন পদক্ষেপ না নিয়ে তিনি  নানান তাল বাহানা দেখিয়ে তাদের প্রস্তাব প্রতাক্ষান করে আসছেন।বিদায় যাতায়াত সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে জানতে কলেজের প্রিন্সিপাল পংকজ কান্তি রায়ের সাথে সরাসরি কিংবা মুঠোফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00