ব্রেকিং নিউজঃ

আশুলিয়ায় জাবি শিক্ষকের সকল বাড়ির অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন – দুর্ভোগে বাড়ির ভাড়াটিয়ারা

আশুলিয়ায় জাবি শিক্ষকের সকল বাড়ির অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন – দুর্ভোগে বাড়ির ভাড়াটিয়ারা
bodybanner 00
মোহাম্মদ আব্দুস সালাম( রুবেল)সাভার প্রতিনিধি
 ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়ার আমবাগানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজের এক  শিক্ষকের নেতৃত্বে অবৈধ গ্যাস সংযোগের সংবাদটি “আশুলিয়ায় জাবি শিক্ষকের নেতৃত্বে আমবাগানে অবৈধ গ্যাস সংযোগের হিড়িক” শিরোনামে ‘আলোকিত প্রতিদিন’  নামের দৈনিক সংবাদপত্রের ১৩ জুন, ২০১৮ তারিখে ৬ষ্ঠ পাতায় প্রকাশিত হয়েছে। এসংক্রান্ত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের অংশ হিসেবে ১১ জুন সাভারের তিতাস গ্যাস অফিসে গ্যাস কর্মকর্তাদের সাথে অভিযোগের কারণে তিতাস গ্যাস অফিস স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে আসাদুজ্জামান নামের এই শিক্ষকের বাড়ি সহ তার মাধ্যমে নেয়া আরও বেশ কয়েকটি বাড়ির মালিকদের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। এর ফলে ঐ সকল বাড়ির ভাড়াটিয়াদের বর্তমানে এই পবিত্র রমজান মাসে পড়তে হয়েছে অবর্ণনীয় দূর্ভোগে। যদিও এক্ষেত্রে তাদের সরাসরি এই অবৈধ গ্যাস সংযোগে কোনো দায় নেই; কিন্তু  মালিকদের অবৈধ কর্মকান্ডের দায় পোহাতে হচ্ছে তাদেরকে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, তিতাস গ্যাস অফিসের এক শ্রেণির দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ মদদে এবং চিহ্নিত রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় একটা শক্তিশালী দালাল চক্র এই অবৈধ গ্যাস সংযোগের কাজ করে চলেছে। ফলে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব এবং কমছে অনুমোদিত আবাসিক এলাকায় গ্যাসের চাপ। আর দালালদের দৌরাত্মে সাধারণ গ্রাহকেরাও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। মূলতঃ সাভার এলাকা রাজধানী ঢাকার চেয়ে নিচু হওয়াতে স্বাভাবিকভাবেই এই এলাকায় গ্যাসের সরবরাহের পরিমাণ বেশী। আর এই কারণেই রাজধানীর এলাকাগুলিতে গ্যাসের চাপ প্রায় নেই বললেই চলে। সেখানের বৈধ বাড়ির মালিকগণ সরকারকে সবকিছু দিয়েও গ্যাস পাচ্ছেন না, অথচ সাভারের এই জাবি শিক্ষক আসাদুজ্জামানের মতো কিছু ঘৃণ্য মানসিকতার মানুষের অবৈধ কর্মকান্ডের জন্য দায় পোহাচ্ছে রাজধানীর বাড়ির মালিকেরা। একই সাথে সাভার এলাকা থেকে পর্যাপ্ত গ্যাস দিয়েও সরকার হারাচ্ছে বিপূল পরিমাণে রাজস্ব। একই সাথে নিরীহ ভাড়াটিয়ারাও পড়ছেন সীমাহীন দূর্ভোগে।
 পত্রিকায় সংবাদটি প্রকাশের পরে,  জাবি শিক্ষক আসাদুজ্জামানের হয়ে এই প্রতিবেদককে বিভিন্ন ভাবে ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করা হচ্ছে পরবর্তী ‘ফলো-আপ প্রতিবেদন’ না করার জন্য মুঠোফোনে এবং  বিভিন্ন লোক মারফতও বিভিন্ন হুমকী দেয়া হয়েছে ।এসংক্রান্ত আর কোনো ধরণের প্রতিবেদন না করার জন্য। সর্বশেষ আশুলিয়ার পানধোয়ার এক সাংবাদিক এই প্রতিবেদককে তাঁর মুঠোফোনে গ্যাস সংক্রান্ত আর কোনো নিউজ করার জন্যও নিষেধ করেন।
জাবি শিক্ষক আসাদুজ্জামানের এবং তার প্রত্যক্ষ মদদে অন্য আরও ১৫/২০টি বাড়ির মালিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সাভার তিতাস গ্যাস অফিস। এজন্য সীমাহীন দুর্গতিতে পড়েছে এই সকল বাড়িগুলির নিরীহ ভাড়াটিয়ারা। তাদের বক্তব্য হলো, অন্যায় করলে করেছেন বাড়ির মালিকেরা, তাদের জন্য আমরা কেন এই রমজান মাসে এবং আসন্ন ঈদের সময় দূর্ভোগে পড়বো? আর গ্যাস অফিস নিয়মিত নজরদারির ব্যবস্থা করলে তো এভাবে মাসের পর মাস কোনো মালিকেরাই এই অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিয়ে সরকারকে ফাঁকি দিতে পারতো না। তখন গ্যাস অফিস নিশ্চুপ রইলো কেন? আর এই সব রাইজার থেকে গ্যাস সংযোগ তো  চাইলেই কোনো বাড়ির মালিকেরা নিজেরা নিতে পারেন না। অবশ্যই এখানে গ্যাস অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জড়িত রয়েছেন। তাদেরও বিচার করা উচিৎ বলে জানান তারা।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00