ব্রেকিং নিউজঃ

মিডফিল্ডে কুতিনহোকে নিয়ে সফল হবে ব্রাজিল?

মিডফিল্ডে কুতিনহোকে নিয়ে সফল হবে ব্রাজিল?
bodybanner 00

আর মাত্র দু’দিন, এর পরই শুরু বিশ্বকাপ। তার আগে যে যার মতো প্রস্তুতি সেরে নিয়েছে। এরই মধ্যে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট ব্রাজিল দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে। দুই ম্যাচেই জয়ের স্বাদ পেয়েছে সেলেকাওরা। তবে সবশেষ গত রোববার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে নিজের হিসাব-নিকাশটা শেষবারের মতো মিলিয়ে নেন তিতে। প্রীতি ম্যাচ হলেও উত্তেজনার এই লড়াইয়ে দারুণ জয় পাওয়া ব্রাজিল খেলেছে দুর্দান্ত।

যে ম্যাচে একটা বিষয় চোখে পড়েছে ফুটবলের রথী-মহারথীদের। টিম ভিকেরি, দক্ষিণ আমেরিকার একজন নামকরা ফুটবল কলামিস্ট। ব্রাজিল-অস্ট্রিয়া ম্যাচের পর তার একটি কলামে এই হেডিংটাই দিয়েছেন। যেটা প্রথমবার দেখার পর হয়তো যে কোনো ব্রাজিল সমর্থকই পড়ে দেখবেন। আসলে কি ফিলিপ কুতিনহোকে মিডফিল্ডে রেখে রাশিয়া জয় করতে পারবে ব্রাজিল? প্রশ্নটার উত্তর এখনই হলফ করে বলা যাচ্ছে না। তবে গেল ম্যাচের চিত্র বলছে ‘হ্যাঁ’ কুতিনহোকে মিডফিল্ডে নিয়ে সাফল্য পেতেই পারে পাঁচবারের বিশ্বসেরা দলটি। তিতেও বোধ হয় তেমন কিছু ভেবে রেখেছেন।

অবশ্য বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার রাউন্ডে এই কুতিনহোকে প্রায় দেখা গেছে রাইট উইংয়ে খেলতে। সেখানকার সাফল্যের পাল্লাটাও যে কম ভারি নয়। কিন্তু অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে কুতিনহোর পজিশন ছিল সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে। হুট করে এমন রদবদল কেন? প্রশ্ন জাগতেই পারে অনেকের মনে। মূলত এবারের বিশ্বকাপটা তিতের জন্য চ্যালেঞ্জিং। ব্যালেন্সিং একটা স্কোয়াড নিয়ে যদি ষষ্ঠ শিরোপাটা হাতে না নিতে পারেন তিতে তাহলে তার কি দামই থাকবে। মনে মনে নাকি এমনটা ভাবছেন ব্রাজিল কোচ। তা ছাড়া কার্লোস দুঙ্গার মতো পরিণতি কোনো দিনই আশা করবেন না তিনি।

সেজন্য না হয় আসল লড়াইয়ে নামার আগে একটু নাড়িয়ে-চাড়িয়ে দেখে নিলেন। যদিও তিতের এই পরীক্ষাটা সফলতার মুখই দেখেছে। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে চোখ জুড়ানো ফুটবল উপহার দিয়েছে তার ছাত্ররা। বিশেষ করে মোটা দাগে কুতিনহোর কথা বলেলে স্রেফ ‘অসাধারণ’ এই বিশেষণটা জুড়ে দেওয়া যায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বল পায়ে সবার নজর কেড়েছেন এই বার্সা তারকা। পাশাপাশি ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে প্রতিপক্ষের জালে দলের হয়ে তৃতীয় বলটি পাঠান কুতিনহো।

ম্যাচের পর ভিয়েনায় উড়ে আসা ব্রাজিল সাংবাদিকরাও বিষয়টিকে গুরুত্বের চোখে দেখেছেন। পজিশন পাল্টেও ভালো করা নিয়ে কুতিনহোর কাছে জানতে চাইলে তার অভিমত, ‘আসলে আমি সব সময় চেষ্টা করি ভালো খেলতে। আর বিশ্বকাপে আমাকে কোচের যেখানে প্রয়োজন মনে হবে সেখানে খেলাবে। আমিও পারফর্ম করতে প্রস্তুত আছি।’ কুতিনহোর এই কথা শোনার পর তিতের আশাটা না জানি আরও বেড়ে যায়। তবে সে যাই হোক, ১৭ জুন সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করা ব্রাজিল হয়তো সাফল্যের সন্ধানে কুতিনহোকে আবারও মিডফিল্ডেই নামাবে।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00