ব্রেকিং নিউজঃ

হ্যাট্রিক চায় আওয়ামীলীগ : মনোনয়ন লড়াইয়ে কঠিন পরীক্ষায় সাবেক ও বর্তমান নেতারা

হ্যাট্রিক চায় আওয়ামীলীগ : মনোনয়ন লড়াইয়ে কঠিন পরীক্ষায় সাবেক ও বর্তমান নেতারা
bodybanner 00

 

 brand bazaar

২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে পরপর দুই বার ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে, ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে  হ্যাটটিক এর মধ্য দিয়ে সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীনদল হিসেবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হতে জোর দিচ্ছে আওয়ামী লীগ।

প্রার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে ইত্যমধ্যেই একটি খসড়া তালিকা প্রস্তুত করে ফেলেছে। আর এই খসড়া তালিকায় কঠিন পরিক্ষায় সাবেক ও বর্তমান নেতারা। প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন । কমপক্ষে ২শ’ আসনে জয় নিশ্চিত করার টার্গেট পূরণ করতে গিয়ে  কোনো প্রকার ঝুঁকি নিতে চান না। নির্বাচনে জিতে আসার সম্ভাবনা কম এমন কেন্দ্রীয় অনেক নেতাও এবার ছিটকে পড়তে পারেন মনোনয়ন দৌড় থেকে।

হ্যাট্রিক চায় আওয়ামীলীগ : মনোনয়ন লড়াইয়ে কঠিন পরীক্ষায় সাবেক ও বর্তমান নেতারা

সংবিধান অনুযায়ী আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘরের দরজায় কড়া নাড়ছে। ইতোমধ্যেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বিএনপিসহ সকল দলের অংশ গ্রহণে প্রতিদ্বন্দিতামূলক নির্বাচন আশা করছে দলটি। যে কারণে সংগঠনিকভাবে শাক্তিশালী ও দলদলি-কোন্দালমুক্ত দল নিয়েই নির্বাচনী মাঠের লড়াইয়ে নামতে চায় আওয়ামী লীগ। দলটির নেতাদের বক্তব্য, সংবিধান অনুযায়ী আগামী বছরের শেষ দিকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে দেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনের জন্য ইতোমধ্যেই ক্ষমতাসীনরা জাতীয় সংসদের তিনশত আসনে নিজেদের দলীয় প্রার্থী চূড়ান্তের প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছে।

নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, কিছু আসনে আগেভাগেই নিশ্চিত জিতে আসার মতো বেশ ক’জন নতুন মুখকে সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হতে পারে, যাতে তারা এলাকায় পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান। এসব নতুন মুখের মধ্যে আছেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী নেতা, সাবেক পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তা, আমলা ও রাজনৈতিক নেতা। সম্ভঅব্য প্রার্থীর তালিকায় আছেন শতাধিক সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতাসহ ক্লিন ইমেজের একঝাঁক তরুণ মুখ। তারা ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছেন। রুটিন করে নিজ নিজ আসনে সময় দিচ্ছেন যে যার মতো। সুখে-দুঃখে এলাকার জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন তারা। এতে দলের মধ্যে নবীন প্রতিদ্বন্দ্বীদের সাথে রীতিমতো মনস্তাত্ত্বিক লড়াই চলছে স্থানীয় এমপিদের। তারা এখন এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। অপেক্ষাকৃত তরুণ সাবেক ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগের নেতারা, আওয়ামী লীগ সমর্থিত পেশাজীবীদের অনেকে মনোনয়ন দৌড়ে এবার বেশ ভালো অবস্থায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিএনপির নির্বাচনী প্রস্তুতি ও প্রার্থী বাছাই দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানা গেছে। তবে অন্তত ১০০ আসনে বর্তমান এমপির বিকল্প শক্তিশালী প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। জোট শরিকদের ছেড়ে দেয়া অনেক আসনেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী রয়েছেন নির্বাচনী মাঠে। এসব প্রার্থীদের তালিকাও আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডের হাতে রয়েছে। এসব প্রার্থীর অনেকেরই জনপ্রিয়তা রয়েছে। তালিকায় বর্তমান এমপির সন্তান কিংবা আওয়ামী লীগের প্রয়াত ও সাবেক নেতার পরিবারের সদস্যের নামও রয়েছে।

 

এ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দল ও নেতৃত্বের প্রতি একান্ত অনুগত, বিতর্কহীন ক্লিন ইমেজের প্রার্থী তাদের নাম উঠে এসেছে বিভাগভিত্তিক নিম্নে বর্ণিত হলোঃ

ঢাকা-১ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল মান্নান খান, নির্মল রঞ্জন গুহ, পনিরুজ্জামান তরুণ। ঢাকা -২ আসনে কোরানীগঞ্জের উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ , ঢাকা-৩ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রি নসরুল হামিদ বীপু, ঢাকা-৪ ডঃ আওলাদ হোসেন (বর্তমান সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির আবু হোসেন বাবলা), ঢাকা-৫ মশিউর রহমান সজল ( বর্তমান সংসদ সদস্য সজলের পিতা হাবিবুর রহমান মোল্লা), ঢাকা-৬ আসনে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ (বর্তমান সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির সাবেক মন্ত্রী কাজী ফিরোজ রশীদ) , ঢাকা-৭ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য বিএমএ প্রেসিডেন্ট ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন (বর্তমান সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম) ঢাকা-৮ আসনে ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট (বর্তমান সংসদ সদস্য বিমান ও পর্যটন মন্ত্রি ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন) , ঢাকা-৯ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী), ঢাকা-১০ আসনে শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ আসনে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তরের সভাপতি একেএম রহমতউল্লাহ, ঢাকা-১২ আসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৩ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৪ সাবিনা আকতার তুহিন, ঢাকা-১৫ বর্তমান সংসদ সদস্য কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা-১৬ আসনে বর্তমান সংসদ ইলিয়াস উদ্দীন মোল্লা , ঢাকা-১৭ আসনে সাবেক মন্ত্রী, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য লেঃ কর্নেল অব. মুহম্মদ ফারুক খান, ঢাকা-১৮ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডঃ সাহারা খাতুন, ঢাকা-১৯ তৌহিদ জং মুরাদ (বর্তমান সংসদ সদস্য ডাঃ এনামুর রহমান) এবং ঢাকা-২০ সাবেক এমপি বেনজীর আহমেদ।

নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম দস্তগীর গাজী, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৩ কায়সার হাসনাত, নারায়ণগঞ্জ-৪ একেএম শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৫ এস এম আকরাম।

গাজীপুর-১ মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রি আকম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল,গাজীপুর-৩ জামিল হাসান দুর্জয় ( প্রবীন এমপি রহমত আলীর পুত্র) গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি, গাজীপুর-৫ বর্তমান প্রতি মন্ত্রি মেহের আফরোজ চুমকীর ।

মুন্সিগঞ্জ-১ মোঃ গোলাম সারোয়ার কবির , মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে সাবেক হুইপ সাগুফতা ইয়াসমীন এমিলি এমপির , মুন্সিগঞ্জ-৩ মৃণাল কান্তি দাস।

কিশোরগঞ্জ-১ সংস্থাপন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এমপি, কিশোরগঞ্জ-২ সোহরাব উদ্দিন এমপি, কিশোরগঞ্জ-৩ সাবেক এমপি ডঃ মিজানুল হক (বর্তমান এমপি জাতীয়পার্টির মজিবুর রহমান চুন্নু), কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক এমপি, কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন এমপি, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন এমপি।

নরসিংদী-১ নজরুল ইসলাম এমপি, নরসিংদী-২ কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমাউন এমপি, নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দীন আহমেদ রাজুর পুত্র।

গোপালগঞ্জ-১ আসনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা, গোপালগঞ্জ-২ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রি শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এমপি।

মাদারীপুর-১ নূরে আলম চৌধুরী লিটন এমপি, মাদারীপুর-২ শাহজাহান খান এমপি, মাদারীপুর-৩ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম এমপি।

শরিয়তপুর-১ বি এম মোজাম্মেল হক এমপি, শরিয়তপুর-২ একেএম এনামুল হক শামীম (এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য কর্নেল শওকত আলী), শরিয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক এমপি।

ফরিদপুর-১ ডাঃ দিলীপ রায় (বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান), ফরিদপুর-২ আয়মন আকবর চৌধুরী (বর্তমান সংসদ সদস্য সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর পুত্র) ফরিদপুর-৩ আসনে এলজিআরডি মন্ত্রি ইঞ্জিনয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি, ফরিদপুর-৪ মজিবর রহমান চৌধুরী নিক্মন এমপি। মানিকগঞ্জ-১ আনোয়ারুল হক মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ, মানিকগঞ্জ-৩ প্রতিমন্ত্রি জাহেদ মালেক স্বপন।

শেরপুর-১ আতিয়ার রহমান আতিক এমপি, শেরপুর-২ বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি,শেরপুর-৩ ফজলুল হক এমপি।
ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-২, ময়মনসিংহ-৩, ময়মনসিংহ-৪ আব্দুস ছাত্তার, ময়মনসিংহ-৫, ময়মনসিংহ-৬ মোসলেম উদ্দীন, ময়মনসিংহ-৭ এম এ হান্নান, ময়মনসিংহ-৮, ময়মনসিংহ-৯ আনোয়ার আবেদীন তুহিন, ময়মনসিংহ-১০ ফাহমী গোলান্দাজ বাবেল।

নেত্রকোনা-১ মোশতাক আহমেদ রুহী, নেত্রকোনা-২ ছবি বিশ্বাস, নেত্রকোনা-৩ ইত্তেকার তালুকদার, নেত্রকোনা-৪ রেবেকা মোমিন।

জামালপুর-১ আবুল কালাম আজাদ এমপি, জামালপুর-২, জামালপুর- ৩ মীর্জা আযম এমপি, জামালপুর-৪, জামালপুর-৫ রেজাউল করিম হীরা।

টাঙ্গাইল-১ ডঃ আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-২ খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল, টাঙ্গাইল-৩ সৈয়দ আবু ইউসুফ, টাঙ্গাইল-৪ সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৬ খন্দকার এম এ বাতেন, টাঙ্গাইল-৭ একাব্বর হোসেন ও টাঙ্গাইল-৮ অনুপম শাহজাহান জয়।

রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ

পঞ্চগড়-১ সাবেক এমপি মজহারুল হক প্রধান, পঞ্চগড়-২ নূরুল ইসলাম সুজন এমপি।

ঠাকুরগাঁও-১ সাবেক মন্ত্রি রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও -২ দবিরুল ইসলাম এমপি, ঠাকুরগাঁও-৩।

দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জণ শীল গোপাল এমপি, দিনাজপুর-২ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুূদ চৌধুরী এমপি, দিনাজপুর-৩ জাতীয় সংসদের হুইপ এম ইকবালুর রহিম এমপি, দিনাজপুর-৪ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এমপি, দিনাজপুর-৫ প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি ও দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক এমপি।

“নীলফামারী”

নীলফামারী-১ আফতাবউদ্দিন সরকার এমপি, নীলফামারী-২ সংস্কৃতি মন্ত্রি আসাদুজ্জামান নূর, নীলফামারী-৩ অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা এমপি নীলফামারী-৪ আমেনা কোহিনুর আলম।

“লালমনিরহাট”

লালমনিরহাট-১ আসনে সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেন এমপি, লালমনিরহাট-২ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এমপি, লালমনিরহাট-৩ আবু সালেহ সাইদ দুলাল।

“রংপুর”

রংপুর-১ আসনে। রংপুর-২ আসনে আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক এমপি, রংপুর-৩ আসনে আনোয়ারুল ইসলাম, রংপুর-৪ আসনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা টিপু মন্সী এমপি, রংপুর-৫ আসনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী এইচ এন আশিকিুর রহমান এমপি,
রংপুর-৬ আসনে প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়।

“কুড়িগ্রাম”

কুড়িগ্রাম-১ আসনে, কুড়িগ্রাম-২ জাফর আলী, কুড়িগ্রাম-৩ শওকত আলী বীরবিক্রম, কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন।

“গাইবান্ধা”

গাইবান্ধা -১ আসনে গোলাম মোস্তফা আহমেদ, গাইবান্ধা-২ আসনে সৈয়দ শামস উল আলম হীরা, গাইবান্ধা-৩ আসনে ডাঃ ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৪ আসনে আবুল কালাম আজাদ ও গাইবান্ধা-৫ আসনে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হোসেন রিপন।

“জয়পুরহাট”

জয়পুরহাট-১, জয়পুরহাট-২ আসনে আবু সাইদ আল মাহমুূদ স্বপন এমপি।

“রাজশাহী”

রাজশাহী-১ আসনে মতিউর রহমান, রাজশাহী-২ আসনে আব্দুল খালেক, রাজশাহী-৩ আসনে আয়েন উদ্দীন, রাজশাহী-৪ আসনে এনামুল হক, রাজশাহী-৫ আসনে এম এ ওয়াদুদ দারা ও রাজশাহী-৬ আসনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

“নাটোর”

নাটোর-১ আসনে আবুল কালাম, নাটোর-২ আসনে শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ আসনে জুনায়েদ আহম্মেদ পলক।

“পাবনা”
পাবনা-১ আসনে সাবেক এমপি অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, পাবনা-২ আসনে আজিজুল হক আরজু এমপি, পাবনা-৩ আসনে মকবুল হোসেন এমপি, পাবনা-৪ গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি।

“নওগাঁ”

নওগাঁ-১ আসনে সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ আসনে শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৩ আসনে সলিম উদ্দিন, নওগাঁ-৪ আসনে মন্ত্রী ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ আসনে ব্যারিস্টার নিজামউদ্দীন জলিল জন ও
নওগাঁ-৬ আসনে মোঃ ইসরাফিল আলম এমপি।

“সিরাজগঞ্জ”

সিরাজগঞ্জ-১ আসনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে হাবিবে মিল্লাত, সিরাজগঞ্জ-৩, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে আব্দুল মজিদ মন্ডল এমপি, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে হাসিবুর রহমান স্বপন এমপি।

“চাঁপাইনবাবগঞ্জ”

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে গোলাম রাব্বানী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ সাবেক এমপি জিয়াউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আব্দুল ওয়াদুদ বিশ্বাস এমপি।

বরিশাল বিভাগের ছ’টি জেলার মোট আসন সংখ্যা ২১টি। এরমধ্যে বরিশালের ৬টি আসনের মধ্যে একটি বরিশাল-৬ জাতীয় পাটি ও একটি বরিশাল-৩ ওয়ার্কাস পার্টির। বাকী চারটি আওয়ামী লীগের।

জানা যায়, আসন্ন নির্বাচনেও জাতীয় পার্টি ও ওয়ার্কাস পার্টির বর্তমান সংসদ সদস্যের পক্ষে আসন দুটি ছেড়ে দিতে হতে পারে। সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই অবশিষ্ট চারটি আসনে প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। সর্বশেষ গত নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে বরিশাল-২ আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করা হয়েছে। এ আসনে প্রার্থী হিসাবে উঠে এসেছেন ‘০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে তৃণমূল পর্যায়ের ভোটারদের ভোটে শীর্ষে থাকা বর্তমান বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক। ‘৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর অদৃশ্য কারণে জাতীয় পার্টি থেকে আসা সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম মনির আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন।

cctv camera

সর্বশেষ উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হওয়া গোলাম ফারুক বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি গত সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চাননি। কারণ তিনি আগেই সবুজ সঙ্কেত পান যে ‘০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস মনোনয়ন পাচ্ছেন। বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক তালুকদার ইউনুস মূলত ‘০৮ সালে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন সাবেক চিফ হুইপ ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের এক নম্বর সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ মামলাজনিত কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারায়। গত নির্বাচনে বরিশাল-১ আসনে বিনা প্রতিদদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া বঙ্গবন্ধু’র ভাগ্নে হাসনাত আব্দুল্লাহ বিজয়ী হওয়ার পর বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থেকে সভাপতি নির্বাচিত হয়ে তালুদার ইউনুসকে সাধারণ সম্পাদক হতে সুযোগ করে দেন। বরিশাল-২ আসনে প্রার্থী সংকট না থাকায় তালুক ইউনুসের মনোনয়নে বানারীপাড়া-উজিরপুর উভয় উপজেলায় নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ পরিস্থিতিতে হাইকমান্ড কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এককালীন সভাপতি মোহাম্মদ শাহে আলমকেও মনোনয়ন দিয়ে দেন। এ নিয়ে সংকট তৈরি হলে শাহে আলমকেই শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করে তালুকদার ইউনুসের পক্ষে কাজ করতে হয়।

অপরদিকে গোলাম ফারুক জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের সবুজ সংকেত পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। কিন্তু ভাগ্য অনুকূল না হওয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যানের শূন্য পদের উপনির্বাচনে তাকে আবার প্রার্থী হতে হয়। আওয়ামী লীগের সর্বসম্মত প্রার্থী হিসাবে গোলাম ফারুকই উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
বরিশাল-৩ আসনে বর্তমান এমপি রাশেদ খান মেননের ওয়ার্কাস পার্টির টিপু সুলতান। এই আসনটি আওয়ামী লীগকে ছেড়ে দিতে হতে পারে এমন আশঙ্কায় জোরেশোরে কোন প্রার্থীর তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে না।

বরিশাল-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথ।
বরিশাল-৫ সদর আসনের বর্তমান এমপি জেবুন্নেসা হীরণ। এ আসনে বিজয়ী হয়েছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক জনপ্রিয় মেয়র শওকত হোসেন হীরণ। তার অকাল মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হলে তার স্ত্রী উপনির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে শামিল হন।

বরিশাল-৬ আসনটি অবস্থিত বরিশালের পূর্বনামের বাকেরগঞ্জ উপজেলায়। এই আসনটিতে ‘৭৩ এর প্রথম সংসদ নির্বাচনের পর কেবল ‘৯৬ সালের নির্বাচনে ব্যবসায়ী সৈয়দ মাসুদ রেজাকে প্রার্থী করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল। মাসুদ রেজা ইহলোক ত্যাগ করেছেন। ‘৯৬ সালেই সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে আলোচিত হওয়া প্রার্থী বরিশাল বিএম কলেজের এককালীন জিএস শহীদ খানও পরোলোকে। কিছুটা যোগ্য প্রার্থীর সংকটে আর কিছুটা জাতীয় পার্টির সঙ্গে আঁতাতের কারণে ‘০৮ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে বিজয়ী হন জাতীয় পার্টির সাবেক মন্ত্রী এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদার। গত নির্বাচনে তিনি পটুয়াখালী-১ আসন দাবি করায় আসনটি ছাড় দিতে হয়। বারবার সংসদ সদস্য হওয়া সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রি ও পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়াকে বঞ্চিত হতে হয়। আগামী নির্বাচনে বরিশাল-৬ আসনে জাতীয় পার্টি মহাসচিব এবিএম রুহুল আমীন হাওলাার প্রার্থী হবেন নিজের স্ত্রীর স্থলে।

পটুয়াখালী-১ আসনে শেখ হাসিনার’০৮-‘১৩ শাসনামলের প্রতিমন্ত্রি শাহজাহান মিয়া, এ্যাড.সুলতান আহমেদ মৃধার , পটুয়াখালী-২ আসনে বর্তমান চিফ হুইপ আসম ফিরোজ, পটুয়াখালী-৩ আসনে শেখ হাসিনার ‘৯৬-০১ আমলের প্রতিমন্ত্রি ও বর্তমান সংসদ সদস্য আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন বর্তমান সংসদ সদস্য। বারবার সংসদ সদস্য হওয়া ছাত্রলীগের এককালীন সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় আওয়ীমী লীগের সাবেক সহ দফতর সম্পাদক আখম জাহাঙ্গীরকে বাদ দিয়ে ‘০৮ সালের নির্বাচনে অখ্যাত তরুণ ব্যবসায়ী গোলাম মওলা রণীকে দলীয় প্রার্থী করা হয়। প্রকাশ্যে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির সাংবাদিককে পেটানোর ঘটনায় দলের ভাবমূতি প্রশ্নবিদ্ধ হলে তাকে বাদ দেয়া হয়।

পটুয়াখালী-৪ আসনে শেখ হাসিনার ০৮-‘১৩ আমলের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রি মাহবুব তালুকদার।
বরগুনা-১ আসনে ‘৯৬-‘০১ শেখ হাসিনা সরকারের নৌ উপমন্ত্রি, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এবং বরগুনা-২ আসনে শওকত হাচানুর রহমান রিমন।

উল্লেখ্য, বরগুনা-২ আসনে ‘০৮ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সবুর টুলু বিজয়ী হলেও সংসদের মেয়াদ পূরণ হওয়ার আগেই অকাল মৃত্যু বরণ করেন। ফলে আসনটি শূন্য হয়। পরে উপনির্বাচনে শওকত হাচানুর রহমান রিমন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে জয়ী হন। গত নির্বাচনেও তিনি মননোয়নলাভ করেন।

ঝালকাঠি-১ আসনে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বজলুল হুদা হারুন,  মনিরুজ্জামান মনির ,   আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ।

ঝালকাঠি-২ আসনে রাজনীতিতে কিং মেকার বলে পরিচিত শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু নির্বাচন করবেন। বানিজ্যমন্ত্রী প্রখ্যাত পার্লামেন্টারিয়ান তোফায়েল আহমেদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ভোলা-১ আসনে। ভোলা-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল।

ভোলা-৩ যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুন্ববী চৌধুরী শাওন বর্তমান সংসদ সদস্য। ‘০৮ সালের নির্বাচনে মেজর (অব) জসিম দলীয় প্রার্থী হিসাবে বিজয়ী হলেও সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃক তার আসন শূন্য ঘোষিত হয়। উপনির্বাচনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে জয়ী হন।

ভোলা-৪ বন ও পরিবপশ উপমন্ত্রি আব্দুল্লাহ আল জ্যাকব বর্তমান সংসদ সদস্য।
পিরোজপুর-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য এম এ আউয়ালক ,  অ্যাডঃ রেজাউল করিমকে।

পিরোজপুর-২  এই আসনে কোন চমক দেখা যেতে পারে। পিরোজপুর-৩ আশরাফুর রহমান

খুলনা বিভাগে মোট আসন হলো ৩৪টি।

যশোর-১ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দীন।যশোর-২ বর্তমান সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম। যশোর-৩ বর্তমান সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৪ যশোর-৫ বর্তমান সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য যশোর-৬ ইসমাত আরা সাদেক।

খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস।খুলনা-২ মিজানুর রহমান। খুলনা-৩ মন্নুজান সুফিয়ান।খুলনা-৪ মোস্তফা রশিদী সূজা। খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। খুলনা-৬ শেখ নুরুল হক।

সাতক্ষীরা-১ শেখ মুজিবুর রহমান। সাতক্ষীরা-২ মীর মোশতাক আহমেদ রবি। সাতক্ষীরা-৩ সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ আফম রুহুল হক। সাতক্ষীরা-৪ এসএম জগলুল হায়দার।

মাগুরা-১ সাইফুজ্জামান শিখর। মাগুরা-২ বীরেন শিকদার।

চুয়াডাঙ্গা-১ সোলায়মান হক জোয়ারদার। চুয়াডাঙ্গা-২ আলী বজগর।

ঝিনাইদহ-১ ঝিনাইদহ-২ ঝিনাইদহ,-৩ ঝিনাইদহ-৪

কুষ্টিয়া-১ কুষ্টিয়া-২ হাসানুল হক ইনু কুষ্টিয়া -৩ মাহবুব উল আলম হানিফ। কুষ্টিয়া-৪ আব্দুর রউফ মেহেরপুর-১ ফরহাদ হোসেন। মেহেরপুর-২

নড়াইল-১ কবিরুল হক মুক্তি। নড়াইল-২ শেখ হাসিনা। বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দীন। বাগেরহাট-২ মীর শওকত আলী বাদশা। বাগেরহাট-৩ তালুকদার মোহাম্মদ আব্দুল খালেক। বাগেরহাট-৪ এইচ এম বদিরুজ্জামান সোহাগ।

কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিভাগ

কুমিল্লা-১ সুবিদ আলী ভুঁইয়া, কুমিল্লা-২ সেলিমা আহমেদ, কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন, কুমিল্লা-৪ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল, কুমিল্লা-৫ আব্দুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ আফম বাহাউদ্দীন বাহার, কুমিল্লা-৭ ডাঃ প্রাণ গোপাল দত্ত, কুমিল্লা-৮ অধ্যাপক আলী আশরাফ, কুমিল্লা-৯ তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১০ আহম মোস্তফা কামাল, কুমিল্লা-১১ মজিবুল হক মুজিব।

চট্রগ্রাম-১ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-২ চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৪,চট্টগ্রাম-৫, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৭ ডঃ হাসান মাহমুদ, চট্টগ্রাম -৮, চট্টগ্রাম-৯ মহিবুল হাসান নওফেল, চট্টগ্রাম-১০ মঞ্জুরুল আলম, চট্টগ্রাম-১১ আব্দুল লতিফ, চট্টগ্রাম-১২ শামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম-১৪ নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

চাঁদপুর-১ গোলাম হোসেন, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া,চাঁদপুর-৩ সুজিৎ রায় নন্দী, চাঁদপুর-৪ শামসুল হক ভুঁইয়া ও চাঁদপুর-৫ রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম।

বি বাড়িয়া-১ এটিএম মনিরুজ্জামান সরকার, বিবাড়িয়া-২ বি বাড়িয়া-৩, বি বাড়িয়া-৪ ব্যারিস্টার আনিসুল হক, বি বাড়িয়া-৫, বি বাড়িয়া-৬ মহিউদ্দীন আহমেদ মহি।

নোয়াখালী-১ এইচ এম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-৩ মামুনুর রশীদ কিরণ, নোয়াখালী-একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের, নোয়াখালী-৬ আমিরুল ইসলাম আমির।

লক্ষ্মীপুর-১ আবদুল্লাহ, লক্ষ্মীপুর-২ মোহাম্মদ নোমান, লক্ষ্মীপুর-৩ শাহজাহান কামাল, লক্ষ্মীপুর-৪।

ফেনী-১ আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ফেনী-২ নিজামউদ্দীন হাজারী, ফেনী-৩ জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন। বান্দরবান- বীর বাহাদুর ও রাঙামাটিঃ দীপঙ্কর তালুকদার।

সিলেট বিভাগ

সিলেট-১ ডঃ আবুল মোমেন, সিলেট-২ শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস, সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ,সিলেট-৫ মাসুক উদ্দীন, সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ।

হবিগঞ্জ-১ আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া, হবিগঞ্জ-২ আব্দুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ-৩ নিজামুল হক রানা।
সুনামগঞ্জ-১ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেন গুপ্তা, সুনামগঞ্জ-৩ আজিজ উস সামাদ ডন, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান, সুনামগঞ্জ-৫ মহিবুর রহমান মানিক।

মৌলভীবাজার-১ আব্দুল মতিন, মৌলভীবাজার-২, মৌলভীবাজার-৩ নিজামুল হক রানা, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্য আব্দুস শহীদ।

brand bazaar

Facebook Comments

Related posts

1 Comment

  1. Md. Mokbul Hossen

    বি-বাড়িয়া ২, ৩ আর ৫ আসনে কি আওয়ামীলীগ করে এমন কেউ নাই প্রতিবেদক মহাশয় ?
    পয়সার বিনিময়ে যে নিউজ করেন সেটা আমরা জানি ভাল করেই।
    কিন্তু কিছু ম্যাঙ্গো পাবলিক আছে তারা তো এটা বুঝে না। তারা মনে করে পত্রিকায় যেহেতু আসছে এটা সত্যি না হয়ে পারেই না। শুধু এই ধরণের পাবলিকদের মনোবল চাঙ্গা করার জন্য হলেও তো কানা কুইড়া যাইই হউক বি-বাড়িয়ার এই তিন আসনে বসাইয়া দিতেন! তাহলে তো বুঝতাম যে আপনার মাথায় আসলেই বুদ্ধি আছে। ফালতু করা থেকে বিরত থাকুন। সাংবাদিকদের মানুষের আস্থা এমনিতেই অনেক কম। যা আছে তাও নষ্ট কইরেন না।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00