স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে

স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে
bodybanner 00

ভারতের সর্বোচ্চ আদালত দেশটির নিরাময় অযোগ্য অসুস্থ রোগীদের স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিয়েছেন। শুক্রবার ভারতের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রার সমন্বয়ে গঠিত পাঁচ সদস্যের বিচারপতি বেঞ্চ এই আদেশ দেয়।

স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি ভারতের সর্বোচ্চ আদালতেইউরোপের বিভিন্ন দেশে স্বেচ্ছামৃত্যু অনুমোদিত হলেও ভারতে এ নিয়ে চলছিল বহু বিতর্ক। বিশেষ করে অরুণা শানবাগের স্বেচ্ছা মৃত্যুর আবেদনটি ছিল ভারতে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ১৯৭৩ সালে ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর কোমায় চলে গিয়েছিলেন অরুণা এবং ৪২ বছর পর ২০১৫ সালে তার মৃত্যু হয়। ২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্ট অরুণাকে জোর করে খাওয়ানো বন্ধ করার নির্দেশ দেন।

এবার ভারতের সুপ্রিমকোর্ট দেশটির কমন কজ নামে একটি এনজিওর আবেদনের প্রেক্ষিতে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমোদন দেয়। তবে এক্ষেত্রে আদালত একটি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এই নির্দেশনা মেনে ব্যক্তিকে স্বেচ্ছামৃত্যুর অধিকার দেয়া হবে। অর্থাৎ যিনি স্বেচ্ছামৃত্যুতে যেতে চান তাকে আগে ভাগে জানিয়ে যেতে হবে তিনি লাইফ সাপোর্টও যেতে চান না। কিংবা কৃত্রিম উপারে বেচে থাকতে চান না।

এছাড়া যে ব্যক্তি কোমায় চলে যাবেন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে তার নিকট ঘনিষ্ঠ আত্মীয় স্বজনরা আদালতের কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন করতে পারে। সেক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনায় ব্যক্তিকে স্বেচ্ছা মৃত্যু দেয়া হবে। তবে জীবিত থাকতে ব্যক্তি এসব কথা উইল আকারে সংরক্ষণ করে যেতে পারবেন। আর যারা পারবেন না। তাদের হয়ে নিকট আত্মীয়রা স্বেচ্ছার মৃত্যুর অধিকার পাবে। তবে সব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শই হবে বিবেচ্য বিষয়। অর্থাৎ যার বাচার সম্ভাবনা রয়েছে তাকে স্বেচ্ছা মৃত্যুতে বাধ্য করা যাবে না। আবার যিনি স্বেচ্ছামৃত্যুতে যেতে চান না তাকেও জোর করে এটা করানো যাবে না। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

Facebook Comments

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00