ব্রেকিং নিউজঃ

সালমানের বিরুদ্ধে সাক্ষীদাতা ও তাদের পরিণতি

সালমানের বিরুদ্ধে সাক্ষীদাতা ও তাদের পরিণতি
bodybanner 00

কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় দীর্ঘ ২০ বছর পর দোষী সাব্যস্ত করে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে গত বৃহস্পতিবার পাঁচ বছরের জেল দেয় রাজস্থানের যোধপুর আদালত। ১০ হাজার রূপি জরিমানাও করা হয় তাকে। দুই রাত জেলে কাটানোর পর ৫০ হাজার টাকা জরিমানার ভিত্তিতে শনিবার জামিনও পেয়ে গেছেন নায়ক। গতকালই মুম্বাই ফিরেছেন তিনি।

১৯৯৮ সালে রাজস্থানে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ে গিয়ে ঘটানো ওই কাণ্ডে সালমানের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছিলেন স্বয়ং তার গাড়িচালক। তিনিই ছিলেন মামলার প্রধান সাক্ষী। কিন্তু মামলা পরবর্তী সময়ে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। ২০১৬ সালে একেবারে হাইকোর্টে রায় বেরনোর পরে আবারও তার দেখা মেলে।

হরিশ দুলানি নামের সেই চালক তখন অভিযোগ করেন, প্রথম বার সাক্ষ্য দেয়ার পরে তার পরিবারকে টানা হুমকি দেয়া হয়েছে। যে সংস্থায় তিনি গাড়ি চালানোর কাজ করতেন, সেখান থেকে তার চাকরি চলে যায়। হরিশের বক্তব্য, ‘আমি পালাইনি। প্রাণের ভয়ে অন্য কোথাও চলে গিয়েছিলাম। পুলিশি নিরাপত্তা পেলে সাক্ষ্য দিতাম। ১৯৯৮ সালে যা বলেছিলাম, এখনও তা-ই বলছি।’

হরিশের দাবি, ‘কৃষ্ণসার হরিণ দুটিকে হত্যার সময়ে জিপসি গাড়িটা সালমান নিজেই চালাচ্ছিলেন। তিনি শুধু গুলি করেই ক্ষান্ত হননি, একটা হরিণের গলাও কেটে এসেছিলেন।’

এদিকে মুম্বাইয়ে ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলায় প্রধান সাক্ষী হয়েছিলেন সালমানের দেহরক্ষী রবীন্দ্র পাটিল। তিনি ছিলেন ‍মুম্বাই পুলিশের কনস্টেবল। ২০০২ সালে তিনি দাবি করেছিলেন, ‘সেই রাতে সালমান খান মদ্যপ ছিলেন। ওই অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ফুটপাতে তুলে দেন। প্রসঙ্গত, ওই ঘটনায় একজন পথচারী ঘটনাস্থালে নিহত হন এবং অন্তত সাত জন আহত হন।

সে সময় পাটিলের সহকর্মীরা জানিয়েছিলেন,  মামলা শুরু হতেই পাটিলের হাতে প্রচুর টাকা চলে এসেছিল। সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করল। কিছুদিন পরে পাটিল মারা গেলেন। সে রাতে সালমানের সঙ্গী গায়ক কামাল খান তো আর দেশেই ফিরলেন না।

এই সুযোগে সালমানের আইনজীবীরাও সওয়াল করলেন, ‘সালমান গাড়ি চালাচ্ছিলেন না, মদ্যপও ছিলেন না। এমনকী তিনি গাড়িতেই ছিলেন না। আপাতত সব মামলাই বিচারাধীন। শেষ উত্তর তাই এখনও বাকি।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00