শেষবার প্রধানমন্ত্রীর ছায়ায় আনিসুল হক

bodybanner 00

কথাটা আনিসুল হকই স্বীকার করেছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছাতেই রাজনীতি করছেন। তার একান্ত চাওয়াতেই মেয়র পদে নির্বাচন করেছেন। শুধু তাই নয়, ঢাকা উত্তরকে স্বপ্নের নগরী গড়তে কাজ করে যাচ্ছিলেন নিরলসভাবে। নগরীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের সময় তীব্র বাধার মুখে পড়ে হতাশ হন। কিন্তু, দমে যাননি। সে সময়েও বলেছেন, ‘এসব কাজে রাজনৈতিক বাধা আসে তীব্রভাবে। কিন্তু, প্রধানমন্ত্রী আমাকে কাজ করার স্বাধীনতা দিয়েছেন।’

শেষবার প্রধানমন্ত্রীর ছায়ায় আনিসুল হক
.

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের সব তৎপরতা থেমে গেছে বৃহস্পতিবার। লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে।

তবে আনিসুল হক প্রধানমন্ত্রীর সেই স্নেহ থেকে বঞ্চিত হননি। শেষবারের তার মরদেহের পাশে গিয়েছেন, শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

লন্ডন থেকে ঢাকায় আনার পর মেয়র আনিসুল হকের মরদেহ রাখা হয় তার বনানীর ২৩ নম্বর রোডের নিজ বাড়িতে। সেখানেই শনিবার দুপুর একটা ৫০ মিনিটের দিকে ছুটে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেষবারের মতো আনিসুল হককে স্নেহের পরশে আবদ্ধ করলেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। বুকে জড়িয়ে নেন।

মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আনিসুল হকের মরদেহ বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বাসায় নেওয়া হবে। সেখানে তিনি থাকবেন দুপুর তিনটা পর্যন্ত। তার আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবরা সেখানে তাকে শেষ বিদায় জানাবেন।

তারপর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে। বিকেল তিনটা থেকে চারটা পর্যন্ত সেখানে সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আনিসুল হকের মরদেহ রাখা হবে।

সেখানেই বাদ আছর নামাজে জানাজা হবে। এরপর সন্ধ্যার আগেই বনানী কবরস্থানে মায়ের পাশে ও ছোট ছেলে শারাফের কবরে তাকে দাফন করা হবে।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00