ব্রেকিং নিউজঃ

শেম অন ইউ গাইজ, নির্বাচকদের সৈয়দ রাসেল

bodybanner 00

বোলিংয়ে আহামরি গতি না থাকলেও সুইংয়ের ভেল্কিতে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের বোকা বানাতে পারতেন। এই বিশেষত্বই তাকে জাতীয় দলে জায়গা করে দেয়। ২০০৫ থেকে ২০১০ পর্যন্ত বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছেন ৬ টেস্ট, ৫২ ওয়ানডে ও আট টি-টোয়েন্টি। সেই সৈয়দ রাসেলই কি না আসন্ন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের প্লেয়ার্স ড্রাফটের তালিকায় সর্বশেষ গ্রেডে (গ্রেড সি)!

‘সি’ গ্রেডে বাঁহাতি এই পেসারের নামটি দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন। অবাক হয়েছেন খোদ রাসেলও। তাই তো বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের এক সময়ের নিয়মিত এই সদস্য চুপ থাকতে পারেননি। রীতিমতো বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নির্বাচকদের ধিক্কার জানিয়েছেন। ক্ষোভ ঝারতে গিয়ে নির্বাচকদের ছোট মনের মানুষ বলতেও দ্বিধা করেননি তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ৭৭টি উইকেটের মালিক রাসেল। শুধু রাসেল নয়, ‘সি’ গ্রেডে তার সাথে আছেন জাতীয় দলের বাইরে থাকা আরেক পেসার রবিউল ইসলাম শিপলুও। এই গ্রেডে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক সাড়ে তিন লাখ টাকা। ২২৭ ক্রিকেটারের তালিকায় নিজের এবং রবিউলের নামটি ‘সি’ গ্রেডে মেনে নিতে পারেননি রাসেল।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাস দিয়ে রাসেল লিখেছেন, ‘নির্বাচকদের বলছি, মনটা একটু বড় করুন। টেস্ট খেলা দুজন ক্রিকেটারকে এভাবে অপমান না করলেও পারতেন। আপনারই বলেন শ্রদ্ধা করতে, কিন্তু নিজেরাই তো শ্রদ্ধা করা শিখলেন না। রেকর্ড ঘাটুন। পারফর্ম করে ক্রিকেট খেলি, চেহারা দেখিয়ে নয়। শেম অন ইউ গাইজ।’ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার পর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সর্বশেষ আসর দিয়ে মাঠে ফিরেছেন রাসেল। লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জের হয়ে খেলেন ছয়টি ম্যাচ, উইকেট নেন আটটি। প্রিমিয়ার লিগের সর্বশেষ ম্যাচে ৩৮ রান খরচায় নেন চার উইকেট। ওই বোলিং ফিগারেই নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন বাঁহাতি এই পেসার। কিন্তু এবার শুরুর আগেই হোঁচট খেতে হলো তাকে।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00