শীতে কাঁপছে খানসামার অসচ্ছল পরিবার।

শীতে কাঁপছে খানসামার অসচ্ছল পরিবার।
bodybanner 00

খানসামা দিনাজপুর প্রতিনিধি

কমতে শুরু করেছে মতাপমাত্রা । এতে করে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা সহ অন্যান্য উপজেলা গুলোতে দিনের বেলা গরম থাকলেও সন্ধ্যা নামার সাথে-সাথে হাড় কাপানো ঠান্ডা অনুভব করা যাচ্ছে- যা থাকছে সূর্য উঠার আগ পর্যন্ত। ভোর রাতের দিকে গরম কাপড় জড়াতে হচ্ছে । শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে বিপাকে পড়ছে খানসামা উপজেলার পরিবারের সদস্যরা।

শীতে কাঁপছে খানসামার অসচ্ছল পরিবার।

বিশেষ করে গরীব ও অসহায় পরিবার গুলো ভোর রাতে বা শীতের মহুর্তগুলোতে ছেড়া কাপড় জড়িয়ে কোনমতেশীত নিবারনের চেষ্টা করছে। হাসপাতালে প্রতিদিন বাড়ছে সর্দ্দি জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার ভেড়ভেড়ী, চকরামপুর, চকসাকোয়া, বালাডাঙ্গী, হোসেনপুর, ডাঙ্গাপাড়া, খামার পাড়া, ভান্ডারদহ, জুগীরঘোপা, আঙ্গারপাড়া, দুবলিয়া, গোয়ালডিহি সহ বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায় চাদর গায়ে অসচ্ছল পরিবার গুলোর মুমূর্ষ অবস্থা। শিশুদের সাথেকথা বলে যায় শীতের কাপড় না থাকায় খুব কষ্ট হচ্ছে এতে সর্দ্দি ও জ্ববরে আক্রান্ত তারা।ঋতু বৈচিত্রের কারণে এই জনপদের প্রকৃতিতে শীতের আগমন ঘঠেছে । মানুষের মনে প্রশ্ন এবার কি প্রকৃতি পাল্টে গেল নাকি, দিনে-রাতেতিন রকম আবহাওয়া । ভোরে আবাচ্ছ কুয়াশা, দিনেগরম, রাতে ঠান্ডা ।নভেম্বর এ শুরুর দিকে অনুভব হচ্ছে শীত, আর সকাল যেন কুয়াশায় আবাচ্ছনে ঢেকে যাচ্ছে সবুজ ঘাস ও চারপাশ । কয়েকদিন ধরে মধ্যরাত থেকে সকালের কিছুটা সময় কুয়াশায় ঢেকে থাকছেপথঘাট । এদিকে শীতের তীব্রতায় বিপদে পড়ছে ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ । অপরদিকে স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীদের সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে সকালে প্রাইভেট আসা যাওয়া করা ।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে জানা যায় প্রতিবছর এ সময় আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে ঠান্ডাজনিত রোগ বেশি দেখা দেয় । তাই এবার এরব্যতিক্রম নয় । তাদের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সেবা প্রদানে যথা সাধ্য চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানানো হয় ।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00