মেসি-রোনালদো বিয়ে ভাঙলেন রুশ দম্পতির!

মেসি-রোনালদো বিয়ে ভাঙলেন রুশ দম্পতির!
bodybanner 00

রুশ দম্পতি আর্সেন এবং লায়ডমাইলোর সংসার জীবন ১৬ বছরের। তারা সম্পর্ক জড়ান ২০০২ বিশ্বকাপ থেকে। কোরিয়া এবং জাপান যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল সেবার। তাদের যৌথভাবে জীবন যাপনের শুরুটাও ২০০২ সাল থেকে। এরপর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে নিজ দেশে পাঁচটি বিশ্বকাপ দেখেছেন এই দম্পতি। অথচ নিজের দেশেই বিশ্বকাপ দেখার সময় ভাঙল তাদের সম্পর্ক। তাও নিজের দেশকে সমর্থনের কারণে নয়। অন্য দেশের দুই তারকার জন্য।

রাশিয়া বিশ্বকাপ চলাকালীন তারা কাতার বিশ্বকাপ দেখার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু এ যাত্রায় তারা আর একসঙ্গে থাকছেন না। সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আর্সেন বরাবরই বার্সেলোনা প্রেমী। মেসির প্রতিও একটা ভালো লাগা আছে তার মধ্যে। রাশিয়া বিশ্বকাপে নিজ জন্মভূমি রাশিয়া বেশ সাফল্য পাচ্ছে। অথচ আর্সেন বেশি খুশি হয়েছেন, মুসাদের বিপক্ষে মেসিদের জয়ে!

নাইজেরিয়ার বিপক্ষে মেসির গোলে উচ্ছ্বাসও করেছেন আর্সেন। তাতে স্ত্রী গায়ে জ্বলুনি শুরু হয়। স্ত্রী লায়ডমাইলো বলে বসেন, পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারে না, সে আবার বড় ফুটবলার! মেসিকে নিয়ে  এই বিদ্রুপ সহ্য হয়নি আর্সেনের। এতে পাল্টা আক্রমণ করেন স্বামীও। স্ত্রীর পছন্দের ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানা রোনালদোর বিরুদ্ধেও সরব হন আর্সেন। রোনালদোকে নিয়ে তো বটেই রিয়াল মাদ্রিদসহ স্ত্রীর পছন্দের ক্লাবগুলোকে নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন আর্সেন।

আর তাতে মেসি-রোনালদো বিতর্কটা এমন চরমে পৌঁছায় যে ১৬ বছরের সম্পর্ক ভাঙতেও পিছপা হননি আর্সেন। রুশ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়া ম্যাচের পরের দিনই বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করেন আর্সেন।

বিবাহ বিচ্ছেদ চেয়ে আর্সেন দাবি করেছেন, বিশ্বকাপ শুরু হতেই মেসিকে নিয়ে ঠাট্টা করত লায়ডমাইলো। আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে পেনাল্টি মিস করায় আর্সেন তার স্ত্রীর উপহাসের পাত্র হন। উপহাস করতে থাকেন মেসিকে নিয়েও। আর তার মাত্রাটা ছাড়ায় নাইজেরিয়া ম্যাচে। ভালো পারফর্ম করার পরও মেসিকে নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করতে থাকেন আর্সেনের স্ত্রী। এরপরই বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তের কথা ভাবেন আর্সেন।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00