ব্রেকিং নিউজঃ

মৃত ব্যক্তির অঙ্গ বিক্রি করে মাসে ৩০ লাখ টাকা আয়!

মৃত ব্যক্তির অঙ্গ বিক্রি করে মাসে ৩০ লাখ টাকা আয়!
bodybanner 00

‘সানসেট মেসা’ এটি যুক্তরাষ্ট্রের কলারোডা অঙ্গরাজ্যের একটি ফিউনারেল হোমের নাম। ফিউনারেল হোম হচ্ছে মৃতদেহের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্নের স্বীকৃত সেবা দাতা প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় বাসিন্দা শারলি-অ্যালান কচ দম্পতি ও তাদের মেয়ে মেগান হেস ফিউনারেল হোমটির কর্ণধার।
কিন্তু এই ফিউনারেল হোম থেকে বেরিয়ে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রয়টার্সের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বলছে, এখানে সেবা দেওয়ার আড়ালে মানবশরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা হয়।
ফিউনারেল হোমের একজন সাবেক কর্মী কারি এশচারের বরাতে ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে রয়টার্স। এক বছর ধরে করা রয়টার্সের তদন্তে বেরিয়ে এলো ভয়াবহ সব তথ্য।
মৃত ব্যক্তির অঙ্গ বিক্রি করে মাসে ৩০ লাখ টাকা আয়!
সাবেক কর্মী কারি এশচার জানান, মেগান হেসের মা শারলি কচের আচরণ খুবই অস্বাভাবিক ছিল। সে যখন অন্তেষ্ট্যক্রিয়ার জন্য মৃত মানুষের শরীরে বিভিন্ন অঙ্গচ্ছেদ করতো, তখন লাশের দাঁত খুলে সোনার দাঁতসহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র আলাদা করে সংগ্রহ করে রাখতো।
তিনি আরও বলেন, সে একদিন তার মৃত মানুষের সোনার দাঁতের সংগ্রহ আমাকে দেখিয়েছিলো। এক বছর পর পর সোনার দাঁতের পুরো একটি ব্যাচ বিক্রি করে তারা পুরো পরিবারসহ ডিজনীল্যান্ড ঘুরতে গিয়েছিল।

Brand Bazaar

কোনো কোনো মাসে তার মাসিক আয় ৪০,০০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়ে বলে জানা গেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, পুরো আমেরিকায় আর এমন কোনো ফিউনারেল হোম খুঁজে পাওয়া যায়নি, যেখানে একই সাথে ফিউনারেল হোম, মানুষ পোড়ানো আর মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা হয়।
ডোনার সার্ভিস নামক একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মেগান হেস মানব শরীরে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করতেন।এগুলো ছাড়াও সে নন ট্র্যান্সপ্ল্যান্ট টিস্যু ও বিক্রি করত।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ওই ফিউনারেল হোমের সাবেক কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
উল্লেখ্য, কলারোডাসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অংগরাজ্যগুলোতে মৃত মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি নিয়ে কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, সুধী মহলে এ ব্যবসার নৈতিকতা নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00