মার্সেইকে হারিয়ে ইউরোপা লিগ অ্যাথলেটিকোর

মার্সেইকে হারিয়ে ইউরোপা লিগ অ্যাথলেটিকোর
bodybanner 00

মার্সেইয়ের সামসে সুযোগ ছিল ফ্রান্সের ক্লাব হিসেবে ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমের পরে ইউরোপ লিগের শিরোপা ঘরে তোলার। কিন্তু পারলো না। পারতে দিলেন না ডিয়াগো সিমিওনের মূল তারকা অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যান। নিজের দেশ ফ্রান্সের ক্লাব মার্সেইকে একাই বলতে গেলে হারিয়ে দিয়েছেন তিনি। দারুণ দুই গোল করে শিরোপা এনে দিয়েছেন দলকে। শেষের দিকে গাবি দলের হয়ে একটি করে জয়ের ব্যবধান ৩-০ করেছেন।

তবে ইউরোপা লিগের শিরোপা অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের জন্য নতুন নয়। এরআগে ১৯৬১-৬২ সালে এই শিরোপার স্বাদ নেয় দলটি। তখন এর নাম ইউরোপা কাপ উইনার কাপ। এরপর ইউরোপা লিগ নাম নেওয়ার পর আরো দু’বার শিরোপা উঠেছে ক্লাবটির শো’কেসে। এরমধ্যে ২০০৯-১০ এবং ২০১০-১১ মৌসুমে শিরোপা জেতে স্প্যানিশ ক্লাবটি। ২০১৭-২০১৮ মৌসুমে দ্বিতীয়বার ডিয়াগো সিমিওনের হাত ধরে শিরোপা উৎসব করল দলটি।

সিমিওনে অবশ্য দাবি করতে পারেন শিরোপা তাদের জেতা উচিত। স্প্যানিশ লিগে এবার কোন শিরোপা হাতে ওঠেনি দলটির। লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদকে হটিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। অন্য মৌসুমেগুলোতে চ্যাম্পিয়নস লিগে দারুণ পারফর্ম করলেও এবার শুরুতেই হেরেছে অ্যাথলেটিকো। তাই যোগ্য দল হিসেবে শিরোপাটা তাদের পাপ্য ছিল।

যোগ্য দলের মতোই অবশ্য শুরু থেকে দাপট ধরে খেলেছে গ্রিজম্যান-কস্তারা। ম্যাচের ২১ মিনিটেই ফ্রান্স তারকা অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যানের গোলে এগিয়ে যায় অ্যাথলেটিকো। গাবির পাস থেকে দলের প্রথম লিড এনে দেন তিনি। ওই এক গোলেই প্রথমার্ধ শেষ হয়। দ্বিতীয়ার্ধে মার্সেই ঘুরে দাঁড়াবে উল্টো গোল খেয়ে বসে। ম্যাচের ৪৯ মিনিটে নিজের এবং দলের হয়ে দ্বিতীয় গোল করেন গ্রিজম্যান।

এই গোলে গ্রিজম্যান প্রমাণ করেন কেন বার্সেলোনা তার দিকে চোখ রাখছে। অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ চলতি মৌসুমে সব মিলিয়ে ৯৩ গোল করেছে। এরমধ্যে ২৯ গোলের পাশপাশি ১৩ গোলে সহায়তা করেছেন তিনি। অ্যাথলেটিকোর মোট গোলের ৪৫ শতাংশ গোলে আছে তার পায়ের ছোঁয়া। গ্রিজম্যান ৪৯ মিনিটের পর ৫২ মিটিনে আবার সুযোগ তৈরি করেন। কিন্তু গোল করতে পারেননি ফ্রান্স তারকা।

তবে গ্রিজম্যানকে প্রথম গোলের পাস দেওয়া গাবি শেষ সময়ে একটি গোল পান। ৮৯ মিনিটে গোল করে তিনি জয়ের ব্যবধান বড় করেন। দলকে তৃতীয় ইউরোপা লিগ জিততে বড় অবদান তারও। অ্যাথলেটিকো ডিয়াগো সিমিওনের অধীনে দু’বার ইউরোপ সেরার এই মুকুট জিতলো। আগামী ২৬ মে রিয়াল যদি লিভারপুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে পারে তবে ২৪ বছর পর ইউরোপ সেরার দুই মুকট একই শহরে যাবে।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00