ব্রেকিং নিউজঃ

মানবতার এক বিরল দৃষ্টান্ত দেখালেন ছাত্রলীগ সভাপতি (মিঠু মালিথা)

মানবতার এক বিরল দৃষ্টান্ত দেখালেন ছাত্রলীগ সভাপতি (মিঠু মালিথা)
bodybanner 00

ঝিনাইদহ থেকে রিয়াজ উদ্দীনঃ

২০১৮ সালে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের পর  বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও স্থানীয় দৈনিক প্রিন্ট মিডিয়াতে ‍‍প্রকাশিত হয়েছিল ”ভাঙা ঘরে চাদের হাসি” রিকসা চালকের ছেলে জাহিদ পেল জিপিএ-৫, টাকার অভাবে ভর্তি হতে পারবে না।

খবরটি জানার পর জাহিদের পড়াশোনার জন্য বিনা বেতনে ভর্তির ব্যবস্থার আশ্বাস দেন কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি জনাব মোঃ আনিচুর রহমান (মিঠু মালিথা)।

কথা দিয়ে কথা রাখলেন কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি (মিঠু মালিথা)।মানবতার এক বিরল দৃষ্টান্ত দেখালেন তিনি।

শনিবার সকালে মাহাতাব উদ্দীন ডিগ্রী কলেজে নিজে উপস্থিত থেকে বিজ্ঞান বিভাগে বিনা খরচে জাহিদের ভর্তির ব্যবস্থা করেন কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি (মিঠু মালিথা) এবং তিনি বলেন আজ থেকে জাহিদের পড়াশোনার সকল দায়িত্ব আমার (ছাত্রলীগের)।

জাহিদ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার রঘুনাথপুর রোস্তম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এই সাফল্য অর্জন করেছে। সে এই স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সকল বিষয়ে এ+ সহ জিপিএ-৫ পেয়েছিল। বাবা মা ও তিন ভাই বোনের পরিবার জাহিদের। বাবা শাহাজাহান আলী নিজে রিকসা চালক। প্রতিদিন নিজ গ্রাম থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দুরে যশোরে গিয়ে রিকসা  চালান। সারা দিনে যা আয় করেন তা সংসার চালাতেই খরচ হয়ে যায়। জমাজমি বলে আছে মাত্র ৫ শতাংশ জমিতে একটি এক রুমের ঝুপড়ি ঘর। তিনি বলেন, রোগ-শোক আর অভাব অনাটনের সংসারে দুবেলা ঠিক মতো সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিয়ে ছেলেকে পড়াশোনা করিয়েছে অনেক কষ্টে।

মাহাতাব উদ্দীন ডিগ্রী কলেজ প্রাঙ্গনে এক সাক্ষাতকারে মেধাবী ছাত্র জাহিদ বলেন, বড় আশা ছিলো কালীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ মাহাতাব উদ্দীন ডিগ্রী কলেজে পড়া শোনা করবো, বাবা মা এর পক্ষে কখনও সম্ভব ছিলোনা এতো টাকা জোগাড় করে আমার পড়াশোনা করানোর, কিন্তু ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা আনোয়ারুল আজীম (আনার) এম,পি মহোদয় ও কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনিচুর রহমান (মিঠু মালিথা) ভাইয়ের সহযোগিতায় আজ আমি মাহাতাব উদ্দীন ডিগ্রী কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হতে পারলাম। দোয়া করি সব সময় এই মহান মানুষদের জন্য।

জাহিদ হাসান জানায়, আমার ইচ্ছে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে দেশসেবা করতে চাই। এছাড়া আমার বাবা-মা ও পরিবারসহ এলাকার পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমার দরিদ্র বাবা মার মুখে হাসি দেখতে চাই বলছিল উদ্যোমি এই তরুণ মেধাবী ছাত্র।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00