বিএনপিকে আবারও সন্ত্রাসী সংগঠন বলল কানাডার আদালত

বিএনপিকে আবারও সন্ত্রাসী সংগঠন বলল কানাডার আদালত
bodybanner 00

বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলে আগের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন কানাডার ফেডারেল আদালত। দেশটিতে আশ্রয়প্রার্থী দলটির সদস্য মোস্তফা কামালের পক্ষ থেকে করা রিভিউ আবেদন খারিজ করে এ রায় দেওয়া হয়। গত সোমবার নিজেদের ওয়েবসাইটে বিষয়টি জানান আদালত।

২০১৫ সালে বাংলাদেশ ছেড়ে কানাডায় আশ্রয়প্রার্থী হন মোস্তফা কামাল। তার বিষয়ে কানাডীয় সরকার আদালতকে তখন বলেছিল- তিনি বাংলাদেশে বিএনপি নামে যে রাজনৈতিক দলের সদস্য পরিচয়ে আশ্রয় চাচ্ছেন, সেই রাজনৈতিক দল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত। শুধু তাই নয়, দেশটির জননিরাপত্তা ও জরুরি তৎপরতাবিষয়ক মন্ত্রী সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে দাবি করেন- বাংলাদেশ সরকারকে উৎখাতেও দলটি প্ররোচণা দিচ্ছে বলে যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ আছে। কানাডিয়ান বর্ডার সিকিউরিটি এজেন্সির (সিবিএসএ) তৈরি প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ দাবি করেন তিনি।

 

কানাডা সরকারের এ বক্তব্য গ্রহণ করে আদালত মোস্তফা কামালের আবেদন খারিজ করে দিলে তিনি আবার দেশটির ফেডারেল আদালতে রিভিউয়ের জন্য আবেদন করেন। আদালত ৪ মে এ রায় ঘোষণা করেন, যা ওয়েবসাইটে দেওয়া হয় সোমবার। রায়ে কারণসহ ব্যাখ্যা দিয়ে জানানো হয়েছে, বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলে মন্ত্রীর বক্তব্যকেই আবারও মেনে নিয়েছেন ফেডারেল আদালত।

রায়ে বলা হয়, মোস্তফা কামালের রিভিউ আবেদনের পর জননিরাপত্তা ও জরুরি তৎপরতাবিষয়ক মন্ত্রীর দাবির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কানাডার অভিবাসন ও শরণার্থী বোর্ডের অভিবাসন বিভাগকে (আইডি) নির্দেশ দেন ফেডারেল আদালত। তখন জননিরাপত্তা ও জরুরি তৎপরতাবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিনিধি সিবিএসএর প্রতিবেদন রেফারেন্স হিসেবে আইডির কাছে তুলে দেন। ওই প্রতিবেদনসহ সম্পূর্ণ বিষয়টি যাচাই ও পুনর্বিবেচনা করে এবং পরবর্তী শুনানিগুলোতে মন্ত্রীর যুক্তি পর্যালোচনা করে আইডি কানাডা সরকারের আগের বক্তব্যই সঠিক বলে সিদ্ধান্তে আসে।

আইডির সিদ্ধান্ত অনুসারে বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর যৌক্তিকতা রয়েছে জানিয়ে ফেডারেল আদালত মোস্তফা কামালের আপিল আবেদন খারিজ করেন এবং তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আপিলের রায়ের পর আইডির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রক্রিয়াগত অন্যায্যতার অভিযোগ করে সিদ্ধান্ত রিভিউয়ের আবেদন করলে এ যুক্তি মেনে নেননি আদালত। উল্টো বলেছেন, কানাডার অভিবাসন ও শরণার্থী সুরক্ষা আইনের (আইআরপিএ) পরিপ্রেক্ষিতে আইডির সিদ্ধান্ত যথেষ্ট যৌক্তিক।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00