ব্রেকিং নিউজঃ

বাণীশান্তা ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে হতদরিদ্র এক মহিলার ৮ মাসের ভিজিডি এর চাউল আত্মসাতের অভিযোগ

bodybanner 00

পাপ্পু সাহা,দাকোপ, খুলনা থেকে :: খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার বাণীশান্তা ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে হতদরিদ্র এক মহিলার ৮ মাসের ভিজিডি এর চাউল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মহিলা এই ঘটনার বিচার প্রার্থনা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে। ভুক্তভোগী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাণীশান্তা ইউনিয়নের ০৩নং ওয়ার্ডের কাটাখালী গ্রামের দেবপ্রসাদ মন্ডলের স্ত্রী হতদরিদ্র সন্ধ্যা মন্ডল সরকারী ভিজিডি কার্ডের তালিকাভূক্ত একজন সুফলভোগী। কিন্তু দীর্ঘ ৮ মাস সে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোন প্রকার চাউল/গম পায়না। বিষয়টি নিয়ে সে ইউনিয়ন পরিষদে খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য জয়ন্ত স্বপন কুমার রায়,দাকোপ, খুলনা :: উপজেলার বাণীশান্তা ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে হতদরিদ্র এক মহিলার ৮ মাসের ভিজিডি এর চাউল আত্মসাতের অভিযোগ

উঠেছে। ভুক্তভোগী মহিলা এই ঘটনার বিচার প্রার্থনা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে। ভুক্তভোগী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাণীশান্তা ইউনিয়নের ০৩নং ওয়ার্ডের কাটাখালী গ্রামের দেবপ্রসাদ মন্ডলের স্ত্রী হতদরিদ্র সন্ধ্যা মন্ডল সরকারী ভিজিডি কার্ডের তালিকাভূক্ত একজন সুফলভোগী। কিন্তু দীর্ঘ ৮ মাস সে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোন প্রকার চাউল/গম পায়না। বিষয়টি নিয়ে সে ইউনিয়ন পরিষদে খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য জয়ন্ত প্রকাশ গাইন তার এই ৮ মাসের চাউল উত্তোলন করে নিয়েছে। এরপর সে মেম্বর জয়ন্তর নিকট আসলে উক্ত মেম্বর প্রথমে চাউল উত্তোলনের বিষয়টি অস্বীকার করে তারপর উক্ত ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য সুলতা মন্ডল বিষয়টি জেনে জয়ন্তর নিকট চাউল না দেওয়ার কারন জানতে চাইলে মেম্বর জয়ন্ত ঐ মহিলা মেম্বরের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করে বলে মহিলা মেম্বর সুলতা জানান। এরপর বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান সুদেব কুমার রায়কে হতদরিদ্র সন্ধ্যা জানালে মেম্বর জয়ন্ত তখন ৮ মাসের ২৪০ কেজি চাউলের পরিবর্তে মাত্র ৫০ কেজি চাউল প্রদান করেছে বলে ভূক্তভোগী সন্ধ্যা জানান। অবশিষ্ট চাউল পাওয়ার জন্য অসহায় সন্ধ্যা এখন প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। অবশেষে হতদরিদ্র সন্ধ্যা এই চাউল আত্মসাতের বিচার প্রার্থনা করে দাকোপ ইউ এন ও বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে। এছাড়াও উক্ত ইউপি সদস্য জয়ন্ত গাইনের বিরুদ্ধে চলমান পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেড়ীবাঁধ সংস্কারের কাজের প্রয়োজনে ওয়াপদা রাস্তার যে ইটগুলি উঠিয়ে রাখা হয়েছে সেই ইট স্থানীয় এক ঠিকাদারের নিকট গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায়ও এলাকাবাসী একটি গন স্বাক্ষরকৃত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দাখিল করেছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান সুদেব রায়ের নিকট জানতে চাইলে মেম্বর জয়ন্তর চাউল উত্তেলনের বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, বিষয়টি আমিই বের করেছি এর মধ্যে কিছু চাউল দেওয়া হয়েছে অবশিষ্ট চাউল মেম্বর জয়ন্ত পরবর্তীতে দিয়ে দিবে। রাস্তার ইট বিক্রির বিষয়ে তিনি বলেন এটি দেখবার এখতিয়ার চেয়ারম্যানের তবে সরকারী রাস্তার ইট গোপনে কোন চেয়ারম্যান বা মেম্বর বিক্রি করতে পারে কিনা এ বিষয়ে তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে পারে নাই। অভিযুক্ত ইউপি সদস্য জয়ন্ত বলেন, ভিজিডির তালিকায় আমার মনোনীত ব্যাক্তির নাম না থাকায় আমি উক্ত চাউল উত্তোলন করে নিজের কাছে রেখেছি পরবর্তীতে স্থানীয় চেয়ারম্যানের মিমাংসায় কিছু চাউল ফেরত দিয়েছি বাকী চাউল পরবর্তীতে দিয়ে দিবো। অসহায় হতদরিদ্র মহিলার এই চাউল আত্মসাতের ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। । এরপর সে মেম্বর জয়ন্তর নিকট আসলে উক্ত মেম্বর প্রথমে চাউল উত্তোলনের বিষয়টি অস্বীকার করে তারপর উক্ত ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য সুলতা মন্ডল বিষয়টি জেনে জয়ন্তর নিকট চাউল না দেওয়ার কারন জানতে চাইলে মেম্বর জয়ন্ত ঐ মহিলা মেম্বরের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করে বলে মহিলা মেম্বর সুলতা জানান। এরপর বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান সুদেব কুমার রায়কে হতদরিদ্র সন্ধ্যা জানালে মেম্বর জয়ন্ত তখন ৮ মাসের ২৪০ কেজি চাউলের পরিবর্তে মাত্র ৫০ কেজি চাউল প্রদান করেছে বলে ভূক্তভোগী সন্ধ্যা জানান। অবশিষ্ট চাউল পাওয়ার জন্য অসহায় সন্ধ্যা এখন প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। অবশেষে হতদরিদ্র সন্ধ্যা এই চাউল আত্মসাতের বিচার প্রার্থনা করে দাকোপ ইউ এন ও বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে। এছাড়াও উক্ত ইউপি সদস্য জয়ন্ত গাইনের বিরুদ্ধে চলমান পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেড়ীবাঁধ সংস্কারের কাজের প্রয়োজনে ওয়াপদা রাস্তার যে ইটগুলি উঠিয়ে রাখা হয়েছে সেই ইট স্থানীয় এক ঠিকাদারের নিকট গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায়ও এলাকাবাসী একটি গন স্বাক্ষরকৃত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দাখিল করেছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান সুদেব রায়ের নিকট জানতে চাইলে মেম্বর জয়ন্তর চাউল উত্তেলনের বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, বিষয়টি আমিই বের করেছি এর মধ্যে কিছু চাউল দেওয়া হয়েছে অবশিষ্ট চাউল মেম্বর জয়ন্ত পরবর্তীতে দিয়ে দিবে। রাস্তার ইট বিক্রির বিষয়ে তিনি বলেন এটি দেখবার এখতিয়ার চেয়ারম্যানের তবে সরকারী রাস্তার ইট গোপনে কোন চেয়ারম্যান বা মেম্বর বিক্রি করতে পারে কিনা এ বিষয়ে তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে পারে নাই। অভিযুক্ত ইউপি সদস্য জয়ন্ত বলেন, ভিজিডির তালিকায় আমার মনোনীত ব্যাক্তির নাম না থাকায় আমি উক্ত চাউল উত্তোলন করে নিজের কাছে রেখেছি পরবর্তীতে স্থানীয়চেয়ারম্যানের মিমাংসায় কিছু চাউল ফেরত দিয়েছি বাকী চাউল পরবর্তীতে দিয়ে দিবো। অসহায় হতদরিদ্র মহিলার এই চাউল আত্মসাতের ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00