ব্রেকিং নিউজঃ

বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ না হওয়ার কারণ জানালেন জয়

বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ না হওয়ার কারণ জানালেন জয়
bodybanner 00

বহুল কাঙ্ক্ষিত বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটটির উৎক্ষেপণ শেষ মুহূর্তে আটকে যাওয়ার কারণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। উৎক্ষেপণ পিছিয়ে যাওয়াকে স্বাভাবিক বিষয় আখ্যায়িত করে এ ব্যাপারে চিন্তিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার সকালে জয় তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে লিখেছেন:

“উৎক্ষেপণের শেষ মুহূর্তগুলো কম্পিউটার দ্বারা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। হিসেবে যদি একটুও এদিক সেদিক পাওয়া যায়, তাহলে কম্পিউটার উৎক্ষেপণ থেকে বিরত থাকে। আজ যেমন নির্ধারিত সময়ের ঠিক ৪২ সেকেন্ড আগে নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার উৎক্ষেপণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। স্পেসএক্স সবকিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আগামীকাল একই সময়ে আবারও আমাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বহনকারী রকেটটি উৎক্ষেপণের চেষ্টা চালাবে।

যেহেতু এই ধরনের বিষয়ে কোনো ঝুঁকি নেয়া যায় না, সেহেতু উৎক্ষেপণের মোক্ষম সময়ের জন্য অপেক্ষা করা খুবই সাধারণ বিষয়, চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।”

বঙ্গবন্ধু-১ বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টা ১২ মিনিট থেকে ৪টা ২২ মিনিটের মধ্যে এটি উৎক্ষেপণ করার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা আটকে যায়।

ঠিক কী কারণে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ স্থগিত করা এ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানায়নি স্পেসএক্স। উৎক্ষেপণস্থলে উপস্থিত ছিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। পরে তিনি এর কারণ জানালেন।

এদিকে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণের নতুন সময়ক্ষণ ঠিক করেছে স্পেসএক্স। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিট থেকে ৪টা ২১ মিনিটের মধ্যে বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে তাদের ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটে করে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হবে। এটি নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশের গাজীপুর থেকে। এজন্য গাজীপুরের জয়দেবপুরে তৈরি করা হয়েছে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন।

ফ্রান্সের মহাকাশ সংস্থা থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস নির্মিত ৩ দশমিক ৭০ টন ওজনের বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটটি। এর মধ্য দিয়ে নিজস্ব স্যাটেলাইটের অধিকারী বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ঘটবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট নিজ কক্ষপথে পরিচালিত হওয়ার পর বাংলাদেশে সম্প্রচার যোগাযোগে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বিস্তৃত করতে এটি ভূমিকা রাখবে।

বালাদেশে টেলিভিশন সম্প্রচার পদ্ধতি আরও সহজ হওয়ার পাশাপাশি খরচ কমবে এই মাধ্যমে। আবার বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া নিতে হয় বলে যে বিদেশি মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যায়, সেটিও আর যাবে না।

দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ হবে। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ স্যাটেলাইট কাজে লাগানো যাবে।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00