পায়ের জাদুতেই যারা বিপক্ষের সমর্থকদের আকৃষ্ট করেছিলেন

পায়ের জাদুতেই যারা বিপক্ষের সমর্থকদের আকৃষ্ট করেছিলেন
bodybanner 00

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, রোনালদিনহো এবং ১২ জন খেলোয়াড় যারা তাদের পায়ের জোরে বিরোধী সমর্থকদের মন জয় করে নিয়েছিলেন । আসুন দেখে নেই কারা আছেন তালিকায় …

এলেসান্দ্রো ডেল পিয়েরো ( রিয়েল VS জুভেন্টাস,২০০৮)
ডেল পিয়েরো খেলায় ফিরেছিল ক্যাল্কিওপলি স্ক্যান্ডালের পর কিন্তু সে ফিরেই তার মাস্টারফুল স্কিল দিয়ে ইতি টেনেছিল তার ফ্যানদের সামনে। সাহায্য করতে পারেনি কিন্তু তার এপ্রেশিয়েশন দেখিয়েছিল এমন একটা রিসিপশনের মাধ্যমে যেটা পরে তুরিনে রোনাল্ডের জন্য করা হয়েছিল।

রোনাল্ডো (ম্যানচেষ্টার ইউনাইটেড VS রিয়াল মাদ্রিদ,২০০৩)
রোনাল্ডো নিজে যা সেইস্বরুপ খেলা খেলেছিলেন মাদ্রিদ শার্টে। এই ব্রাজিলিয়ান প্রতিপক্ষকে থেঁতো করেছিলেন অসাধারণ হ্যাট্রিকের মাধ্যমে। মাঠে আগত ফ্যানদের পয়সা উসুল একটি খেলা এবং রোনাল্ডো জমে উঠেছিল স্বপ্নসম উচ্ছাস এবং মুগ্ধ প্রশংসার।

ডেনিস বার্গক্যাম্প ( ম্যানচেষ্টার সিটি VS আর্সেনাল, ২০০৩)
‘নন-হুইলচেয়ার হেল্পম্যান’ নামক বিমানটিকে তার অলৌকিকতার স্মরণে স্মরণ করে তার শ্রেষ্ঠত্বের মধ্যে কেবল অবরুদ্ধ ছিল। বারক্কাম্প মেইন রোডে দৌড়ে দৌড়ে একের পর এক গোল করে এবং পুরো শহরকে আনন্দে নাচিয়েছিল কারন ছিল আর্সেনালের ৫-১ ব্যবধানের জয়।

রোনালদিনহো (রিয়াল মাদ্রিদ VS বার্সেলোনা,২০০৫)
বার্সেলোনা প্লেয়ারদের জন্য স্ট্যান্ডিং ওভেশন পাওয়া এটা অবশ্যই অনেক স্পেশাল। কিন্তু রোনালদিনহো এমন একজন যার মাঠের ট্যালেন্ট সাথে ব্যপ্তিশীল জয় ব্রাজিলিয়ানদের তার প্রতি অন্যতম ভালোবাসার কারণ। ২০০৫ সালে রোনালদিনহো মাদ্রিদ কে ৩-০ তে জিতিয়েছিল যার মধ্যে তার করা দুটো স্কোর বার্সার তিক্ত প্রতিদ্বন্দীদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল।

স্টিভেন গিয়ার্ড (চেলসি VS লিভারপুল,২০১৫)
একজন এনফিল্ড লিজেন্ড জেরার্ড ২০১৫ সালের মে মাসে স্টাম্ফোর্ড ব্রিজে রেড লাইন্ড আপের সময় তার ক্যারিয়ারের শেষ দিকে এসেছিল। এখানে অধিনায়ক ১-১ গোলে ড্র করে তার পক্ষে সমান গোল করেন এবং ব্রেন্ডন রজার্স খেলার ১১ মিনিট বাকি থাকতে পিচ ছাড়েন।

থিয়েরি হেনরি (সুন্দরল্যান্ড VS আর্সেনাল,২০০৩)
ফ্রেডারিক লিজনবার্গ ইতোমধ্যে রিলেগেট ব্ল্যাক ক্যাটসের বিরুদ্ধে হ্যাট্রিক করেছে কিন্তু স্টেডিয়ামের প্রত্যেকের চোখ ছিল তার দলের সহকারীর জন্য। হেনরি একটি নান্দনিক খেলা খেলেছিল এবং তারই দেশে সে পুরষ্কৃত হয় ভক্তদের একটি হৃদয়গ্রাহী অভিবাদনের মাধ্যমে।
যার উপলক্ষ ছিল ৪-০ তে উদযাপন করার।

লিওনেল মেসি (এটলেটিক মাদ্রিদ Vs বার্সেলোনা,২০০৯)
মেসির গোলরক্ষক পপ গার্দিওলার প্রথম বছর ক্যাম্প নওতে ইতিমধ্যেই ক্রমবর্ধমান ছিল।আর্জেন্টিনা ডেল রে হ্যাট্রিকের মাধ্যমে ভিসেন্ত ক্যাল্ডরনের ভিড়কে হতাশ করেছিল এবং তার প্রতিভা এক কাতারে বিশ্বকে দাড় করিয়ে দিয়েছিল।

এন্ড্রেস ইনিএস্তা (রিয়াল মাদ্রিদ Vs বার্সেলোনা, ২০১০)
রোনালদিনহের পরে এই ক্যাটালান্স মিডফিল্ড আইকন যিনি রুক্ষ বারনাবিউ দের সম্মান পেয়েছে। বার্সার ৫-১ গোলে জেতা যে ম্যাচ সেটির প্রাণ ছিল ইনিয়েস্তা যে সংগতরুপে সেই আসরের জন্য একদম পরিপূর্ণ।

জাভি (এথলেটিক Vs বার্সেলোনা,২০১৫)
বার্সেলোনা থেকে জাভির চলে যাওয়া ক্যাম্প নিও এর জন্য একটি ইরা শেষ হয়ে যাওয়ার মতো। এক দশকের জন্য তাদের সাফল্যের চাবিকাঠি ছিল যাকে ব্লাউগারানা রে বিদায় দিয়েছিল। এমনকি সান মেমস এটিকেই কাজে লাগিয়েছিল যেহেতু একজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে তার দল ৫-২ ব্যবধানে পরাজিত করেছিল এবং এটিই তাদের পরম তৃপ্তিতে উজ্জীবিত করেছিল।

*ফ্রান্সেস্কো টট্টি (মাদ্রিদ Vs রোমা,২০১৬)
রোমের প্লেমেকিং কিংবদন্তী কিংবদনন্তিদের কিংবদন্তী তালিকাতে তার নাম যোগ করেন ২০১৬ সালে বার্নাবেউয়ের দেয়া প্রশংসার খাতিরে তবে এটা তার জন্য ছিল নিয়মিত জয়। টট্টি তার খেলা দিয়ে এই আসনে এসেছেন এবং তার ফলস্বরুপ একটি উত্তেজনাপূর্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন।

দিয়াগো ম্যারাডোনা (রিয়াল মাদ্রিদ Vs বার্সেলোনা,১৯৮৩)
ক্যাম্প নিওতে আর্জেন্টিনার সাথে দ্বন্দ্ব জড়িত ছিল কিন্তু তিনি স্পেন থেকে তার অল্প সময়ের মধ্যে কিছু চমৎকার স্মৃতি ছেড়ে চলে যান। বার্সেলোনার দুটি গোল এগিয়ে যাওয়ার জন্য তার অসাধারন,দুর্দান্ত দুটি লক্ষ্য চোখে বাজিয়ে রাখার মতো এবং মাদ্রিদ এর বিশ্বস্ততায় ঘাটতি থাকলেও তারা তার অনন্য দক্ষতার সাধুবাদ জানায়।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (জুভেন্টাস Vs রিয়াল মাদ্রিদ,২০১৮)
চ্যাম্পিয়ান লিগ ইতিহাসে জুভেন্টাসের সেরা গোল রক্ষকের কোন প্রশ্ন উত্তর এর পর্ব নেই। রোনাল্ডো দর্শকের জন্য ৩-০ ব্যবধানে জয় এনেছিলেন দুইটা তবে তার দ্বিতীয়টি ছিল একটি অনুপ্রাণিত ওভারহেড কিক, যেটি জুভেন্টাস স্টেডিয়াম স্ট্যান্ডিং অভেশনের সাথে নেতৃত্ব দিয়েছিল।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00