ব্রেকিং নিউজঃ

নষ্ট হচ্ছে সওজ’র কয়েক কোটি টাকার সম্পদ

নষ্ট হচ্ছে সওজ’র কয়েক কোটি টাকার সম্পদ
bodybanner 00
মো.মোয়াজ্জেম হোসেন,পটুয়াখালী প্রতিনিধি ; 
পটুযাখালীর কলাপাড়ার অন্ধারমানিক, সোনতলা ও শিববাড়িয়া নদীতে অকেজো হয়ে পড়ে থাকা কোটি টাকা মূল্যের ফেরী, পল্টুন, গ্যাংওয়ে মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে। রাতের আধারে চুরি হয়ে যাচ্ছে এসবের বিভিন্ন মুল্যবান অংশ। অকেজে পন্য হিসাবে বিক্রয়ে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের দীর্ঘসূত্রিতার কারনে কোটি টাকার এসব সম্পদ মাটির নিচে চাপা পড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এমন মন্তব্য অভিজ্ঞদের।
২০১৫ সালে পটুয়াখালী-কুয়কাটা মহাসড়কের ২২কি.মি সড়কের আন্ধারমানিক উপড় শেখ কামাল সেতু, হাজিপুর সোনাতলা নদীর উপড় শেখ জামাল সেতু, শিববাড়িয়া নদীর উপর শেখ রাসেল সেতু নির্মিত হয়। সেতুগুলো নির্মানের পূর্বে কুয়াকাটায় যাওয়া আসার যানবাহন পারপারের একমাত্র মাধ্যম ছিল ফেরী। সেতু নির্মানের দুই বছর পার হলেও এ ফেরিগুলো অপসারনের কোন উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন চরের উপর একই স্থানে পড়ে আছে ফেরিগুলো। ফলে দিনে দিনে লবনাক্ত পানি আর মাটির সাথে মিশে বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে ফেরিগুলো।
সরজমিনে দেখা যায়, কলাপাড়া অন্ধারমানিক নদী চরে ৩টি ফেরী, ১টি গ্যাওয়ে, হাজীপুর সোনাতলা নদী চরে ৪টি ফেরী, ১টি পল্টুন এবং মহিপুর শিববাড়িয়া নদী চরে ২টি ফেরী, ২টি পল্টুন, ২টি গ্যাংওয়ে অব্যবহৃত, অকেজো হয়ে পড়ে আছে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের কয়েক কোটি টাকা মূল্যের এসব মালামাল। এসব ফেরী ও পল্টুন গুলোর বেশির ভাগই ব্যবহার অনুপোযোগী ও মেরামত অযোগ্য হওয়ায় ফেলে রাখা হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে পড়ে থেকে লবন পনি আর পলি মাটিতে মরিচা ধরে এগুলো মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্বায়িত্বশীল কর্মকতারা একটু সচেষ্ট হলেই এসব ফেরি, গ্যাংওয়ে এবং পল্টন মাটির সাথে মিশে যাওয়া থেকে রক্ষা পেত। স্ক্র্যাপ পন্য হিসাবে বিক্রি করে রাজস্ব খাতে টাকা জমা করা যেত। তবে সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, স্ক্র্যাপ পন্য হিসাবে এসব সম্পদ বিক্রি করার ইচ্ছে করলেই বিদ্যমান নীতিমালার কারনে তা করা যাচ্ছেনা। রয়েছে চিঠি চালাচালির দীর্ঘ প্রক্রিয়া, ব্যবহার অনুপযোগিতার সঠিকতা যাছাই-বাছাই এবং দরপত্র প্রক্রিয়া। হাজীপুর ফেরিঘাট এলাকার বাসিন্দা সাব্বির রহমান জানান, অনেক দিন ধরেই এ ফেরিগুলো চরের উপর পড়ে আছে। লবনাক্ত মাটির নিচে পড়ে ফেরিগুলো দিনে দিনে ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। কলাপাড়া ফেরিঘাট এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিন জানান, ফেরিগুলো এখন আর কোন কাজে আসছেনা। রাতের আধারে এ ফেরিগুলোর বিভিন্ন মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে যাচ্ছে। হাজীপুর ফেরিঘাট এলাকার বাসিন্দা সাব্বির রহমান জানান, অনেক দিন ধরেই এ ফেরিগুলো চরের উপর পড়ে আছে। লবনাক্ত মাটির নিচে পড়ে ফেরিগুলো দিনে দিনে ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে।
 পটুয়াখালী সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন বলেন, পড়ে থাকা ফেরী এবং পল্টুন গুলো পরিসংখ্যান করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বর্তমানে উম্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে বিক্রির প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00