নবীন চেতনা ফাউন্ডেশন এর সৌদি আরব শাখা কমিটির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা

নবীন চেতনা ফাউন্ডেশন এর সৌদি আরব শাখা কমিটির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা
bodybanner 00

মোঃ মুরাদ হোসেন পাপ্পু (সৌদি আরব থেকে)

সমাজের বিশিষ্ট মানুষেরা যেভাবে আমাদের কাজে সাড়া দিচ্ছেন, অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছেন, তাতে আমাদের কাজ করার শক্তি অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সমাজের শিক্ষিত মানুষের বিবেক যদি জাগ্রত করা যায় তাহলে সমাজ পরিবর্তন হতে বাধ্য। তাই শিক্ষিত এবং প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছাতে হলে আরেকজন শিক্ষিত বিবেকবান লোকের প্রয়োজন। আমাদের সাথে এমন কিছু লোক কাজ করছেন তাদের মেধা ও শ্রম দিয়ে সমাজ পরিবর্তন করার সামর্থ্য আছে। তাহলে প্রশ্ন থাকতেই পারে, এতো সংঘটন থাকতে নতুন সংগঠন করার কি দরকার? পুরাতন একটার সাথে সম্পৃক্ত হলেই পারেন। কেউ বলে নতুন ধান্ধা, কেউ বলে পদপদবী, কেউ বলে নাম কামানো হল নতুন সংঘটনের প্রধান উদ্দেশ্য। সেটা কারও কারও থাকতে পারে। আমি অস্বীকার করছি না। কিন্তু সবাই যে একই উদ্দেশ্য নিয়ে নতুন সংঘটন সৃষ্টি করে বা নতুন ধারা তৈরি করে সেটা কিন্তু না। কারও সাথে মতের অমিল থাকলে সেই সংঘটন থেকে বের হয়ে নতুন কিছু তৈরি হবে সেটাই স্বাভাবিক। আপনি হয়ত একটা সংঘটন করেছেন কেবল সভাপতি হওয়ার জন্য, কিন্তু যেই সংঘটনের সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদক বলে কোনো পোস্টই নাই, যেখানে সবাই সভাপতি – সাধারণ সম্পাদক তাদের কে আপনি কি বলবেন? মতের অমিল মানেই বিরোধিতা না। মতের অমিল মানে নতুন চিন্তা। কিন্তু ঘারত্যারামি কখনই সৃজনশীলতা হতে পারে না। আমাদের উদ্দেশ্য হবে শিক্ষিত, ধনী সমাজের মানবিক দিকটা জাগ্রত করা। সেই জাগ্রত বিবেককে কাজে লাগিয়ে সমাজের অসহায় মানুষদের সহায়তা করা। যারা দেশ পরিচালনা করেন তাদের যদি আমরা মানবিক কাজে সম্পৃক্ত করতে পারি তাহলে আমাদের আর তেমন কাজ থাকবে না। একটা কথা আছে, ধনী বাঙালী বৌ নিয়া ইউরোপ যায় টাকা খরচ করতে আর ধনী ইউরোপিয়ান রা স্ত্রী নিয়া বাংলাদেশে আসে এই দেশের গরীব মানুষদের সাহায্য করতে। সুতারাং আমরা যদি ঐ ধনী শ্রেণীর মানবিক দিকটা জাগ্রত করতে পারি তাহলে তারাও স্ত্রী নিয়ে কোনো এক গরীব গ্রামে যাবে আর সেই গ্রামের সকল গরীব শিশুদের শিক্ষার দায়িত্ব নিবে। মানুষের জন্য কাজ করতে চাইলে কিংবা মানুষের ভালবাসা পেতে চাইলে কাজটা আপনাকে মন থেকেই করতে হবে। “পৃথিবীর অন্য কোনো জাতি বাঙালীর মতো এতো পরশ্রীকাতর না।” পরশ্রীকাতর মানে অন্যের শ্রী শ্রী মানে উন্নয়নে আমার চুলকানি। কেউ যদি নাম কামানোর জন্য কাজ করে আর তাতে যদি অন্ততপক্ষে একজন অসহায় মানুষ উপকৃত হয় তাহলে আমার চুলকানোর কি আছে। কালকের মিটিং এ আমার আলচ্য বিষয়, আলোচনায় এসব তুলে ধরেন উপস্থিত আলোচকরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন নবীন চেতনা ফাউন্ডেশন এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুরাদ হোসেন পাপ্পু, সুলতান মাহমুদ, মোঃ রবিউল ইসলাম রবি, সোহাগ হোসেন, সাব্বির পল্লব, গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, কায়েস চৌধুরী, আরো অনেকে

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00