ব্রেকিং নিউজঃ

ধৈর্য ধরে আছি, সময়মতো ব্যবস্থা নেব: কাদের

ধৈর্য ধরে আছি, সময়মতো ব্যবস্থা নেব: কাদের
bodybanner 00

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সব আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে। এখন দেখছি নালিশ আর নালিশ। আবার গোপন বৈঠক। আমরা জানি কোথায় কারা কারা বৈঠক করছেন। টেমস নদীর পাড়ে কখন কার সঙ্গে বৈঠক হচ্ছে। ব্যাংকক, দুবাইতে বসে কারা কোন গডফাদারের সঙ্গে বৈঠক করছেন। দেশেও রাতের অন্ধকারে বসে কোন বৈঠক হচ্ছে সব আমাদের নলেজে আছে। ধৈর্য ধরে আছি। মনিটর করছি আরও খোঁজ-খবর নিচ্ছি। সময়মতো ব্যবস্থা নেব।

শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপিকে বলি এ লোকটাকে (স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদকে) কেন বিশ্বাস করেন? সে আলতু-ফালতু কথা বলে। কেন বিশ্বাস করেন। কীভাবে বেগম জিয়াকে হাসপাতালে রেখে এরশাদ সাহেবের দলে যোগ দিয়েছিলেন। এটা ইতিহাস। কথায় কথায় যিনি দল ও রঙ বদলাতেন। যিনি কখনো সাহেব কখনো বিবি তার নাম হলো মওদুদ আহমেদ। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি বহুরূপী ব্যারস্টার। মৃত ব্যক্তির নামে ভুয়া কাগজ করে যে লোক বাড়ি দখল করে তার রাজনীতি কি স্বচ্ছ? তিনি কি দেশ প্রেমিক? তিনি কি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন?

‘অতিদ্রুত দেশের রাজনীতির চিত্র বদল হবে’—মওদুদ আহমদের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কিভাবে বদল হবে? কেন বদল হবে? কি কারণে বদল হবে? মওদুদ সাহেবের কি ম্যাজিক আছে, যে ম্যাজিক দিয়ে রাজনীতি বদল করবেন? নির্বাচনে দেশে

আওয়ামী লীগ নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সময়টা ভালো নয়, আমি আমাদের নেতৃবৃন্দের কাছে, আমার সহকর্মীদের কাছে বিনীত অনুরোধ করবো, যার যার সীমানা পেরিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেবেন না। সরকারকে বিব্রত করে এমন বক্তব্য কেউ দেবেন না, যাতে দল ও সরকার বিব্রত হয়। এমন কোনো কথা দয়া করে কেউ বলবেন না। হোমওয়ার্ক করে কথা বলবেন, পলিসির ব্যাপারে নেত্রীর সঙ্গে কথা বলে তারপর কথা বলবেন, ফ্রি স্টাইলে কথা বলা যাবে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুর ছবির পাশে নিজের ছবি দিয়ে আত্মপ্রচার বন্ধ করতে হবে। ছবি প্রদর্শনের এই প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন। বঙ্গবন্ধুকে ব্যবহার করে, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনাকে ব্যবহার করে আত্মপ্রচারে যারা নিমগ্ন তাদের রাজনীতির কমিটমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন আছে। একজন এমপি তার বাড়ি ঢাকা থেকে অনেক দূরে একটি দ্বীপে, তিনিও ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর পাশে ছবি দিয়ে পোস্টার বিলবোর্ড করেছেন। কেন? এটা কি তাদের নির্বাচনী এলাকা। দয়া করে এইসব প্র্যাকটিস বন্ধ করুন। এইসব ছবি প্রদর্শন করে নমিনেশন পাওয়া যাবে না।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ নাথ।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00