ব্রেকিং নিউজঃ

ধামরাইয়ে শিশু পূর্ণিমার ‘গনধর্ষণ’ ও ‘হত্যা’ সম্পর্কে পুলিশের সংবাদ সম্মেলন

ধামরাইয়ে শিশু পূর্ণিমার ‘গনধর্ষণ’ ও ‘হত্যা’ সম্পর্কে পুলিশের সংবাদ সম্মেলন
bodybanner 00

মোঃ আল মামুন খান, ধামরাইঃ

ধামরাই উপজেলায় সাত বছরের  শিশু পূর্ণিমাকে ‘ধর্ষণের’ পর হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ জুলাই (শুক্রবার) এ কথা জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ২৫ জুন (সোমবার)  দুপুর ১ টা নাগাদ মেয়েটি ধামরাইয়ের সুয়াপুরের রৌহা  গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে বাজারে গিয়ে আর বাসায় ফিরে আসেনি। এরপর ২৬ জুন (মঙ্গলবার) স্থানীয় এক বাঁশঝাড়ের নিচে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।  নিহত পূর্ণিমা আক্তার উপজেলার রৌহা এলাকার সামসুল ইসলামের মেয়ে। সে রৌহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিলো।

৬ জুন (শুক্রবার) বিকালে ধামরাই থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান বলেন, পূর্ণিমা বিকালে বাড়ির কাছে রৌহা বাজারে ডিম কিনতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে তার খোঁজ পায়নি স্বজনেরা। পরের দিন সকালে এলাকার একটি বাঁশঝাড় থেকে পুলিশ তার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে।

প্রাথমিকভাবে সুরতহাল রিপোর্ট করার সময় দেখা যায়, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন এবং ধর্ষণের আলামত রয়েছে। এরপর পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করে এবং ‘ভিকটিমের’ বাবা ধামরাই থানায় বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করলে, পুলিশ নারী শিশু নির্যাতন আইন এবং দন্ড বিধি আইনে ধর্ষণ সহ খুনের একটি মামলা রুজু করে।

এরপর ধামরাই থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ সোহান নামের একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। কিন্তু প্রাথমিক অবস্থায় যে অস্বীকার করে। কিন্তু এরপর পুলিশ মরণ নামের এক হোটেলের কর্মচারীকে গ্রেফতার করলে সে নিজেকে অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত করে কিছু বক্তব্য প্রদান করে।

এরপর এই মরণকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায় যে, তারা ৪ বন্ধু শিশুটিকে বাঁশবাগানের মধ্যে নিয়ে উপূর্যুপরি ধর্ষণ করে। এরপর তাঁর গলা টিপে এবং ঘাড় ভেঙে হত্যা করে বাঁশবাগানের মধ্যে একটি কুয়ার ভিতর ফেলে দেয়।

এই সংবাদ সম্মেলনে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব রিজাউল হক দিপুও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর মরণ ও সোহাগ নামে ২ জনকে গ্রেফতারের পর পুলিশ আরো ২ খুনিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। একই সাথে ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত ও মরণ যে হোটেলে কাজ করে, সেই হোটেল থেকে নিহত শিশু পূনিমার গলার চেইন ও নাকফুল উদ্ধার করে পুলিশ।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00