ব্রেকিং নিউজঃ

দোহারে গৃহবধূর রহস্যময় মৃত্যুর বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

দোহারে গৃহবধূর রহস্যময় মৃত্যুর বিচারের দাবীতে মানববন্ধন
bodybanner 00

 মাহবুবুর রহমান টিপু,বিশেষ(ঢাকা)প্রতিনিধি:

দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের মইতপাড়া পল্লীবাজার এলাকার গৃহবধূ মনি আক্তারের রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত তার স্বামী মামলার সন্দেহজনক আসামী আটক ও ুিবচারের দাবীতে মানববন্ধন করেছে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী। গতকাল শুক্রবার বিকালে উপজেলার মইতপাড়া পল্লী বাজার এলাকায় নিহতের পিতা আমীর আলী,মাতা রীনা বেগম ও প্রায় এলাকার দুইশতাধিক নারী-পুরুষকে সংঙ্গে নিয়ে নিহত মনি আক্তারের স্বামী মামেদ আলীর ফাসির দাবীতে মানববন্ধন করেন।উল্লেখ্য গত একমাস দুই দিন আগে নিহতের স্বামীর বাড়িতে মনি বেগমের রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী মামেদ আলী পলাতক রয়েছেন।এ পর্যন্ত এ ঘটনার কোন রহস্য উদঘাটন কিংবা বিচারিক ব্যবস্থ্য না হওয়াতে মনি বেগমের পরিবার অভিযোগ ও মানববন্ধন করেন। মনি বেগমের মা রীনা বেগম জানান,গত একমাস দুইদিন আগে আমরা মেয়ের শশুরবাড়ি থেকে সংবাদ পেয়ে মেয়ের স্বামীর বাড়িতে ঘরে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পাই।এ সময়ে ঘরের তালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকলে মনিকে গলায় ফাসি দেওয়া অবস্থায় দেখতে পাই।আমাদের ধারনা তার স্বামী তাকে প্রথমে হত্যা করে পরে তার গলার ওড়না দিয়ে পেচিয়ে ফাসির নাটক সাজিয়ে ঘওে বাইওে থেকে তালাবদ্ধ করে রেখেছিলো।পরে মনিকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।এঘটনায় দোহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করতে পারি নাই এবং মেয়ের মযনাতদন্তের রিপোর্ট এখন পর্যন্ত হাতে পাইনি।এ বিষয়ে কোর্টে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।আমি আমার মেয়ের হত্যার সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার প্রার্থনা করছি। এ বিষয়ে নিহতের পিতা আমীর আলী বলেন,আমার মেয়ের দুটি সন্তান রয়েছে।একটি ৮বছরের মেয়ে তাসলিমা ও একটি ৪ বছরের ছেলে সোলায়মান। এছাড়াও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,নিহত মনির সাথে তার স্বামী মামেদ আলীর দ্বন্দ চলে আসছিলো দীর্ঘদিন ধরে।অনেকবার এলাকাভিত্তিক বিচারের মাধ্যমে মিলমিশ করানো হয়েছিলো।তাছাড়া মনির স্বামী পূর্বে একাধিক বিয়ে করেছিলো বলে জানা যায়। এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.সাজ্জাদ হোসেন জানান,ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী মামেদ আলী পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় দোহার থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছিলো।নিহত মনির ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখন পর্যন্ত আমরা হাতে পাই নাই।প্রাথমিক তদন্তে সুইসাইড এর প্রমান পাওয়া গেলেও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ছাড়া কিছু করা সম্ভব নয়। দোহার,ঢাকা।

Facebook Comments

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00