ব্রেকিং নিউজঃ

জেনে নিন লাইলাতুল কদরের আমল ও ফজিলত

জেনে নিন লাইলাতুল কদরের আমল ও ফজিলত
bodybanner 00

মাহে রমজানের ২৬তম রোজা আজ। দেখতে দেখতে বিদায় নিচ্ছে মাহে রমজান। আর মাত্র কদিন পরেই ঈদুল ফিতর। ২৬তম রোজার দিবাগত (আগের) রাত থেকেই শুরু শবে কদর। ২৭ রমজান সূর্য উদয় পর্যন্ত এর বৈশিষ্ট্য বহাল থাকবে।শবে কদর তথা মহিমান্বিত এ রাতের ফজিলত ও গুরুত্ব মুসলিম মিল্লাতের কাছে অপরিসীম।

এ রাতের পৃথক ফজিলত বর্ণনা করতে গিয়ে পবিত্র কোরআনে একটি সূরা অবতীর্ণ হয়েছে। তাতে আল্লাহ পাক ঘোষণা দেন- ‘লাইলাতুল কদরে খায়রুম মিন আলফে শাহর। অর্থাৎ এই রাত অন্য হাজার মাসের চেয়ে উত্তম।’

আর আল্লাহ পাক সেই রাতে মানুষের জীবন বিধান হিসেবে সর্বপ্রথম কোরআন নাজিল করেছেন।

বণী ইসরাইলের ইমানদারদের চেয়ে উম্মতে মোহাম্মদীকে প্রাধান্য দিতেই আল্লাহ পাক শবে কদরের এই রাত আমাদের উপহার দিয়েছেন। তাদের লোকেরা হাজার মাসের চেয়ে বেশি বেঁচে থাকতেন এবং এবাদত বন্দেগী করতেন। কিন্তু সেই তুলনায় উম্মতে মোহাম্মদীর হায়াত একেবারেই নগন্য। তারপরও তাদের দীর্ঘসময় তথা হাজার মাস বেঁচে থেকে এবাদত বন্দেগী করার চেয়েও উম্মতে মোহাম্মদীর একরাত এবাদত অনেক বেশি উত্তম এবং আল্লাহর কাছে গ্রহণীয়।

প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই রাতের ফজিলত বর্ণনা করে বলেন, ‘এই সৌভাগ্যের রাত যে ব্যক্তি কাজে লাগাতে পারেনি, সে সত্যিকার অর্থে বঞ্চিত। তার মত দুর্ভাগা আর একজনও নেই।’

হযরত আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘যখন একবার মাহে রমজান আসলো তখন আল্লাহর রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, তোমাদের নিকট একটি মাস এসেছে, যাতে একটি রাত এমনও রয়েছে যা হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। যে ব্যক্তি এ রাত থেকে বঞ্চিত রইল সে যেনো সবকিছু থেকে বঞ্চিত রইল। আর এর কল্যাণ থেকে যে বঞ্চিত সে প্রকৃতপক্ষে বঞ্চিত।’

রাহমাতুল লিল আলামীন (সা.) শবে কদর রাতকে বেশি গুরুত্ব দিতেন। তার বিবি, সাহাবাগণও সারারাত জেগে শবে কদরে নফল নামাজ, এবাদত বন্দেগীতে মশগুল থাকতেন। বেশি করে কোরআন তেলাওয়াত করতেন, বেশি বেশি দান সদকা দিতেন। অভ্যুক্তকে খাওয়াতেন। কারণ এ রাতে দোয়া প্রার্থণা গ্রহণের জন্য আল্লাহ পাক সপ্তম আসমানে বান্দার জন্য নেমে আসেন এবং বলতে থাকেন হে কল্যাণকামী সামনের দিকে অগ্রসর হও, কে আছো ডাকার, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো, কে আছো ক্ষমা চাওয়ার? আমি ক্ষমা করবো।

তাই উম্মতে মোহাম্মদীর জন্য এই রাত মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মহা নেয়মত ও বড় পুরষ্কার। খালেছ নিয়্যতে এবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে আল্লাহকে খুশি করানো গেলে শবে কদরের সার্থকতা হাসিল হবে তথা দুনিয়ার কল্যাণ ও আখেরাতে মুক্তি মিলবে।

শবে কদর এমন একটি মহিমান্বিত রাত যে রাত সম্পর্কে হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে মহানবী (সা.) বলেছেন, হযরত জিব্রাইল (আ.) এর নেতৃত্বে ফেরেশতারা পৃথিবীতে চলে আসেন। প্রত্যেকের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করেন, যারা দাঁড়িয়ে কিংবা বসে এবাদত করে থাকেন। (জিয়াউল কোরআন, পঞ্চম খণ্ড)

চার শ্রেণির মানুষের ক্ষমা নেই
শবে কদরের রাতে চার শ্রেণির মানুষ ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হবে। তারা হলো- মদ্যপানে অভ্যস্ত লোক, মাতাপিতার অবাধ্য, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারি ও পরস্পর হিংসা বিদ্বেষ পোষণকারি। তবে এই চার শ্রেণির মানুষ মহিমান্বিত রজনিতে খালেছ নিয়তে আল্লাহর দরবারে তওবা করে সংশোধন হওয়ার আরজি করলে আল্লাহ পাক তাদের ক্ষমা করে দেবেন এবং তওবা করে আবার সেই কাজে ফিরে যাবেন না এ শর্তে আল্লাহর প্রিয় বান্দায় পরিণত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। আর বাকি বান্দাদের জন্য তো ক্ষমা আছেই।

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, যখন শবে কদর আসে তখন আল্লাহ তাআলার নির্দেশে হযরত জিব্রাইল (আ.) একটা সবুজ পতাকা ও ফেরেশতাদের বড় দল নিয়ে পৃথিবীতে আসেন। আর সবুজ পতাকাটি কাবা শরীফে উপর উড়িয়ে দেন। তারপর হযরত জিব্রাইল (আ.) তার দুটি ডানা (পূর্ব-পশ্চিম উত্তর-দক্ষিণ সব প্রান্তে বিস্তৃত) মেলে ফেরেশতাদের নির্দেশ দেন, যে কোনো মুসলমান আজ রাতে জাগ্রত থেকে নামাজ কিংবা আল্লাহর জিকরে মশগুল থাকে তাকে সালাম করো, তার সঙ্গ মোসাফাহা করো। তাছাড়া তাদের দোয়ায় শরীক হয়ে আমীন বলো।

ভোর পর্যন্ত ফেরেশতাদের এ দায়িত্ব চলতে থাকে। যখন ভোর হয় তখনই ফেরেশতাদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন হযরত জিব্রাইল (আ.)। এসময় ফেরেশতারা হযরত জিব্রাইলকে আরজ করেন- হে জিব্রাইল, উম্মতে মোহাম্মদীর চাহিদাগুলো সম্পর্কে কী করলেন? জিব্রাইল (আ.) উত্তর দেন, আল্লাহ তাদের উপর বিশেষ দয়ার দৃষ্টিতে দেখেন। চার ধরণের লোক ছাড়া বাকি সবাইকে ক্ষমা করে দেন।

সাহাবাগণ রাসূলুল্লাহ (সা.) কে আরজ করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ তারা কারা? এরশাদ করেন, মদ্যপানে অভ্যস্ত লোক, মাতাপিতার অবাধ্য, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারি ও পরস্পর হিংসা বিদ্বেষ পোষণকারি। (শুয়াবুল ইমান, তৃতীয় খণ্ড, ৩৩৬পৃষ্ঠা)

শবে কদরকে গোপন করার কারণ
রমজানের শেষ দশদিনের বেজোড় রাতে শবে কদর। এ রাতটি সুনির্দিষ্ট না করার অনেক কারণ রয়েছে। একে গোপন করার বিষয়টি সত্যিই তাৎপর্যপূর্ণ।
এ প্রসঙ্গে একটি হাদিসে আছে হযরত আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আমরা নবী করীম (সা.)এর সঙ্গে রমজানের মধ্যম দশকে ইতিকাফ করি। তিনি বিশ তারিখে সকালে বের হয়ে আমাদেরকে উদ্দেশ্যে বললেন, আমাকে লাইলাতুল কদরের সঠিক দিনক্ষণ দেখানো হয়েছিল, পরে আবার তা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তোমরা শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদর সন্ধান কর।(সহিহ বুখারী)

মূলত মহানবী (সা.) কে দেখানোর পর ভুলিয়ে দেওয়ার অর্থ হচ্ছে আল্লাহ পাক উম্মতে মোহাম্মদীর জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে তা গোপন রাখা।

আর গোপন করার কারণ বর্ণনা করতে গিয়ে মোফাচ্ছেরে কেরাম বলেন, যদি শবে কদরকে প্রকাশ ও নির্দিষ্ট করে দেয়া হতো, তাহলে অবারিত আমলের দ্বার রুদ্ধ হয়ে যেতো। বান্দা সে রাতের এবাদতকে যথেষ্ট মনে করে পরবর্তিতে আমল থেকে বিরত থাকতো।

মূলত শবে কদরের বরকত ও কল্যাণ অর্জনের অনুসন্ধিৎসা বান্দার মধ্যে জাগ্রত থাকুক এবং রাত জেগে এবাদতে মশগুল থাকুক, বান্দার এমন আমল আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় বিধায় শবে কদরকে গোপন রাখা হয়েছে।

আল্লামা ইমাম ফখরুদ্দিন রাজি (র.) বলেন, শবে কদরকে যদি প্রকাশ করে দেওয়া হতো তাহলে এ রাতের এবাদত বন্দেগীর সওয়াব যেমন হাজার মাসের পরিমাণ ঠিক গুনাহও সমপরিমাণ হত, তাই দয়ালু প্রভু এ রাতকে গোপন রেখেছেন। যাতে করে কেউ যদি অসাবধানতাবশত বা অজ্ঞতার কারণে কোনো গর্হিত কাজ এ রাতে করে বসে তবে অনির্ধারিত হওয়ার কারণে শবে কদরকে অবমাননার সাজা হতে বেঁচে যাবে। আর এ কারণে শবে কদর গোপন রাখা হয়েছে।

লাইলাতুল কদরের উত্তম আমল সমুহ
মাহে রমজানের শবে কদরের রাত ইসলামী শরীয়ত মতে ফজিলতের দিকে দিয়ে অনেক বড়। এ রাতেই সূরা কদরের মাধ্যমে ঐশীগ্রন্থ আল কোরআন নাজিল হয়েছে।

এই রাতকে স্বয়ং আল্লাহ তাআলা নিজেই হাজার মাসের চেয়ে উত্তম বলে ঘোষণা করেছেন। এ রাতকে যে কাজে লাগাতে পারেনি আল্লাহর প্রিয় হাবিব (সা.) তাকে বড় হতভাগা বলেছেন।

আর এ সব নেয়মত কেবল উম্মতে মোহাম্মদীর জন্যই। তারা চাইলে এ রাতকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারে। এ রাতের প্রত্যেকটি আমল আল্লাহর দরবারে গৃহিত হয়। কেবলমাত্র কয়েক শ্রেণির মানুষ ছাড়া বাকী সবার দোয়া কবুল হয়। মাত্র একরাতের আমল দিয়ে নিজেকে জান্নাতি বানানোর সুযোগ করে দিয়েছে শবে কদর।

শবে কদরে নফল নামাজ
শবে কদরের রাতে নফল নামাজ পড়া উত্তম এবাদত। নফল নামাজ আদায় সম্পর্কে তাফসিরে রূহুল বয়ানে উল্লেখ আছে-হযরত ইসমাইল হক্কী (র.) উদ্ধৃত করেছেন, বুযুর্গানে দ্বীনগণ দশদিনের বেজোড় রাতগুলোতে শবে কদরের নিয়্যতে দুরাকাত নফল নামাজ পড়তেন।

প্রসিদ্ধ ফকীহ আবুল লাইস সমরকন্দী (র.) বলেন, শবে কদরের নামাজ কমপক্ষে দুই রাকাত। বেশি একহাজার রাকাত পর্যন্ত। প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পর সূরা কদর ও তিনবার সূরা এখলাস পড়া। প্রত্যেক দুরাকাত পর সালাম ফিরিয়ে দরুদ শরীফ পাঠ করা তারপর দুই রাকাত করে যে যত নিয়্যত করবে তত রাকাত নফল নামাজ আদায় করে নেওয়া।(তাফসিরে রুহুল বয়ান, দশম খণ্ড, ৪৮৩ পৃষ্ঠা)

তবে প্রসিদ্ধ মত হচ্ছে এশার নামাজের পর দুই রাকাত করে ১২ রাকাত নফল নামাজ পড়া উত্তম। নফল নামাজ এশার ফরজ নামাজের পর আদায় করা যাবে।

শবে কদরে নফল নামাজের গুরুত্ব অপরিসীম। নফল নামাজ পড়ার কারণে বান্দার পূর্বের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (তাফসিরে রুহুল বয়ান, দশম খণ্ড, ৪৮০ পৃষ্ঠা)

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি শবে কদরে সওয়াবের নিয়্যতে (নফল নামাজের জন্য) দন্ডায়মান থাকে, তার অতীত সবগুনাহ মাফ হয়ে যায়। (সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিম)

শবে কদরের দোয়া
মহানবী হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শবে কদরের রাতে এই দোয়া পড়তেন এবং পড়ার জন্য বলতেন। দোয়াটি হলো- আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুব্বু তুহিব্বুল আফওয়া ফাঅফু আন্নি। এ প্রসঙ্গে একটি হাদিস আছে উম্মুল মুমেনিন হযরত আয়েশা সিদ্দিকী (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসূলের খেদমতে আরয করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ (সা.) যদি আমি শবে কদর সম্পর্কে জানতে পারি তবে আমি কি পড়বো? আল্লাহ রাসূল (সা.) উত্তর দেন- এভাবে দোয়া প্রার্থণা করো- ইয়া আল্লাহ নিশ্চয়ই তুমি ক্ষমাশীল। তুমি ক্ষমা পছন্দ করো, তাই আমাকে ক্ষমা করো।’ (তিরমিজি, পঞ্চম খণ্ড, ৩০৬ পৃষ্ঠা, হাদিস-৩৫২৪)

শবে কদরে সূরা কদর পড়লে বান্দার অনেক কল্যাণ হয়। এ প্রসঙ্গে আমিরুল মুমেনিন হযরত আলী মুরতাজা শেরে খোদা (রা.) বলেন, যে কেউ শবে কদরে সূরা কদর সাতবার পড়বে আল্লাহ তাআলা তাকে প্রত্যেক বালা মুসিবত থেকে রক্ষা করেন। আর সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জান্নাত পাবার জন্য দোয়া করেন।(নুজহাতুল মাজালিস, প্রথম খণ্ড, ২২৩ পৃষ্ঠা)

মহিমান্বিত এই রজনীতে উচিত নিজেকে পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র রাখা, ফরজ নামাজ আদায় করে তার সঙ্গে সূন্নাত, নফল নামাজ পড়া, কোরআন তেলাওয়াত করা, না পারলে তেলাওয়াত শোনা, বেশি পরিমাণে রাসুল (সা.) এর উপর দরুদ শরীফ পাঠ করা, না ঘুমিয়ে রাতভর জিকির আযকার, দোয়া মোনাজাতে শামিল হওয়া, আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করা, বেশি করে দান সদকা করা, অনাহারির মুখে ভাল খাবার তুলে দেওয়াসহ যত ভাল কাজ আছে সবকিছু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। মা বাবা, আত্মীয় স্বজনের কবর জিয়ারত করে তাদের জন্য দোয়া করা, বিশেষ করে আল্লাহ তাআলা ও তার প্রিয় হাবিব (সা.) এর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে এবাদত বন্দেগীতে বিসর্জন দেওয়া গেলে তাহলে শবে কদর পালনের স্বার্থকতা।

তবে এই মহিমান্বিত রজনিতে অনেকেই রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ফটকা ও আতশবাজিতে নিজেদের ব্যস্ত রাখে এবং মুসল্লীদের এবাদত বন্দেগীতে বিরক্ত করে। এতে নিজে গুনাহগার তো হবেই বরং এই পবিত্র রজনীর সম্মানহানী করে থাকে। এ রাতে রাস্তাঘাটে হৈচৈ করে, ফটকাবাজি ও আড্ডাবাজির মাধ্যমে লোক দেখানো এবাদত কোনোভাবেই ইসলাম সম্মত নয়। শবে কদর উম্মতে মোহাম্মদীর জন্য মহা নেয়মত। এবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে আমাদের উচিত সেই নেয়মতের শোকর করা।

তাই আসুন, সৌভাগ্যের এই রজনীকে হেলায় নষ্ট না করি। তাহলে আমাদের মত বড় দুর্ভাগা আর কেউ থাকবে না।আল্লাহ আমাদের ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক শবে কদরে উত্তম আমল করার তওফিক দিন। আমীন।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00