জাবিতে র‌্যাগিং প্রতিরোধে মাঠে নেমেছে শিক্ষকরা

জাবিতে র‌্যাগিং প্রতিরোধে মাঠে নেমেছে শিক্ষকরা
bodybanner 00

জাবি প্রতিনিধি:-
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান মানসিক নির্যাতন (র‌্যাগিং) প্রতিরোধে মাঠে নেমেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্য মঞ্চ। আজ রবিবার কলা ও মানবিকী (নতুন) ভবন ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষক লাউঞ্জে পৃথক দুটি সংবাদ সম্মেলনে তারা এ প্রতিরোধের ডাক দেন। শিক্ষক শিক্ষার্থী ঐক্য মঞ্চের পক্ষে অধ্যাপক সাঈদ ফেরদাউস লিখিত বক্তব্যে বলেন, জবাবদিহিহীন সংস্কৃতি ও অগণতান্ত্রিক চর্চার ধারাবাহিকতায় প্রতিবছর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের পরিচিত হওয়ার নামে নিপীড়ন চালানো হয়। ছাত্র-শিক্ষকের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য জাকসুসহ উপাচার্য প্যানেল নির্বাচন দেয়া জরুরী। অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন,
জাবিতে র‌্যাগিং প্রতিরোধে মাঠে নেমেছে শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ও হল প্রশাসনে অনুগ্রহপুষ্ট ও আনুগত্যের ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে অবহেলা ও নিষ্কিৃয়তা দেখা দিয়েছে। আর এ অবস্থায় নিপীড়করা র‌্যাগিংকে একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করছে। নিজেদের ভবিষ্যতের স্বার্থে প্রকৃত অর্থে জবাবদিহিতা মূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্যাম্পসে সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এসময় সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক নাসিম আখতার হোসাইন, অধ্যাপক স্বাধীন সেন, অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা, সহযোগী অধ্যাপক রায়হান রাইন, সহকারী অধ্যাপক আনিছা পারভীন জলি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, র‌্যাগিং নামক অপসংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসা নবীন শিক্ষার্থীদের শুভ মাঝে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যগিং বন্ধ করতে হলগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে সচেতনতা তৈরী করা দরকার।
তাই আমরা আজ (রবিবার) রাতে সকলকে নিয়ে প্রতিটি হলে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবো। এসময় সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, অধ্যাপক শাহেদুর রশিদ, অধ্যাপক শামীমা সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মিজানুর রহমান দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কর্তৃক র‌্যাগিংয়ের শিকার হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে পেলেন। তারপরে এমন প্রতিরোধের ডাক দিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00