চৌদ্দগ্রামে পরীক্ষা না দিয়েই পাস ৪ শিক্ষার্থী

চৌদ্দগ্রামে পরীক্ষা না দিয়েই পাস ৪ শিক্ষার্থী
bodybanner 00

Brand Bazaar

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা না দিয়েই চার শিক্ষার্থী পাস করার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। বুধবার এ ঘটনা জানাজানি হলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহলে তোলপাড় শুরু হয়।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সারা দেশে একযোগে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ২০১৭-এর ফলাফল প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বেতিয়ারা, মুন্সিরহাট ও পদুয়া দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেই পাস করে। এতে হতবাক হয়ে পড়েন শিক্ষকরা। একইসঙ্গে হতবাক হন চার শিক্ষার্থীর বাবা-মাসহ স্থানীয়রা।

পরীক্ষা না দিয়ে পাস করা শিক্ষার্থীরা হচ্ছে- উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের বেতিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র এবায়দুল হোসেন তার রোল নং- ৭৬৮২, প্রাপ্ত জিপিএ-৩.৫৮, মোট নম্বর ৩৭৮; মুন্সিরহাট ইউনিয়নের মুন্সিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী মোসা. সাথি আক্তার, তার রোল নং- ৪৪৭০, প্রাপ্ত জিপিএ-২.৫০, মোট নম্বর ৩০৫; আলকরা ইউনিয়নের পদুয়া দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী আয়শা আক্তার, তার রোল নং- ৮১৮৯, প্রাপ্ত জিপিএ-২.৩৩, মোট নম্বর ২৯০ এবং একই স্কুলের নুসরাত জাহান, তার রোল নং- ৮১৯০, প্রাপ্ত জিপিএ-২.২৫, তার মোট নম্বর ২৯৩।

এ ফলাফল দেখে হতবাক হয়ে পড়েন ওই শিক্ষার্থীদের সহপাঠী ও তাদের অভিভাবকসহ এলাকার লোকজন। এ নিয়ে পুরো এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।

বিষয়টি স্বীকার করেছেন বেতিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হামিদা আক্তার ও মুন্সিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুশিউর রহমান ও পদুয়া (দক্ষিণ) প্রধান শিক্ষক।

এ ধরনের ঘটনা জানাজানি হলে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মিথ্যা তথ্যে ভাগ্য খুলেছে এবায়দুল, আয়শা, নুসরাত ও সাথি আক্তারের। তারা পরীক্ষা না দিয়েই পাস করেছে।

তবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নুরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00