ব্রেকিং নিউজঃ

গ্রামে সুদের অর্থ আদায়ে , বাড়ি দখলের অভিযোগ

গ্রামে সুদের অর্থ  আদায়ে , বাড়ি দখলের অভিযোগ
bodybanner 00

মো:সুজন হোসেন:-
ষ্টাফ রিপোটার: ঢাকা দোহার উপজেলা নবাবগঞ্চ উপজেলা বারুয়াখালী ইউনিয়ন বড় কাউনি কান্দি গ্রামের মো: সামসুল নামে এক ব্যক্তির বিরোদ্ধে সুদের অর্থ আদায়ের জন্য বাড়ির জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ।মো: সামছুল গ্রামের একজন নি মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে বড় হয়েছেন ।তিনি পূর্বে বিভিন্ন পেশায় জীবিকা নির্বাহ করতেন । কিন্তুু তখন তার সংসার স্বচ্ছলতা ছিলনা ।সংসারে অভাব অনটন হ্রাস করতে তিনি বিদেশে পারিজমান।ভাগ্য তাকে তার লক্ষে পৌছে দিয়েছেন ।বর্তমানে তিনি গাজীপুর জেলায় একটি জমি ক্রয় করেছেন । এবং গ্রামে প্রায় ১০ লাখ টাকার মতো সুদে বিনিয়োগ করছেন ।তার বর্তমান আয়ের সিংহ ভাগ আসেন সুদে বিনিয়োগ করে । এবং বাকি টাকা আসে প্রবাসী ছেলের কাছ থেকে ।
গ্রামে সুদের অর্থ  আদায়ে , বাড়ি দখলের অভিযোগগত ৬ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার একুশের কন্ঠের অনুসন্ধানে দেখাযায়, একই গ্রামে মিশু বেগম (৪০) নামে এক নারী সুদের জালে পা দিয়ে এখন নিজের থাকার জায়গায় হারাতে বসেছেন ।যেন কেউ দেখার নেই ।অভাবের কারনে মেয়ে বিয়ে দিতে না পারায় একই গ্রামে মো: সামছুল মিয়ার কাছে সহাযোগিতার জন্য প্রথমে হাত বাড়ান । সুযোগ পেয়ে কে হাত ছাড়া করেন ।সামছুল বলেন, টাকা দিতে পারি তবে সর্ত হলো ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিতে হবে ।হিমু বেগম জানান, কোন উপায় না দেখে তার সর্তে রাজি হলাম ।কিন্তুু প্রতারনার জাল বিছিয়ে রাখবে আমি জানতাম না ।প্রথমে আমাকে সামসুল মিয়া ৫০ হাজার টাকা দেন । সর্ত থাকে মাসে ৭ হাজার ৫শ টাকা দিতে হবে ।রীতিমতো আমি সুদের টাকা পরিশোধ করে দিয়েছি ।দ্বিতীয় বারের মতো আমি ৫০ হাজার টাকা তার কাছ থেকে সুদে নেই। সুদের অর্থ আমি পরিশোধ করি ।এবং সর্বশেষ ২০ টাকা একই ব্যক্তির কাছ থেকে সুদ নেই ।সর্ব মোট ১লাখ ২ হাজা টাকা গ্রহন করি সুদ ব্যবসায়ী সামছুলের কাছ থেকে ।হিমু বেগম জানান, যে পরিমান অর্থ আমি সুদে নিয়েছি তার ডাবলের ডাবল দিয়েছি। কিন্তুু এখনও আমার স্বাক্ষরিত ষ্ট্যাম ফেরত দিচ্ছে না ।বরং উল্টো তিনি আমার কাছে ৬ লাখ টাকা দাবি করেন ।যা আমার কাছে দু:স্বপ্নের মতো ।অপর দিকে আন্না বেগম(৪৫) নামে এক নারীও সামছুল মিয়ার বিরোদ্ধে অভিযোগ করেন ।সে গ্রামে একমাত্র চরম সুদী ব্যবসায়ী ।তিনি বলেন সামছুল এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো জমি গ্রাস করা । এছাড়াও গ্রামের অনেক মানুষ তার ভয়ে মুখ খুলছে না ।এই ঘটনায় সামছুল তার বিরোদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন । এই ঘটনায় গত ২ ফ্রেবরুয়ারী বারুয়াখালী পুলিশ ফাঁড়িতে একটি অভিযোগ করেন অভিযোগকারীরা ।এব্যাপারে বারুয়াখালী ফাঁড়ি ইনচার্জ অখিল রঞ্জন সরকার জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে উভয়কে উপস্থিত হাজির করি ।
যেহেতু বিষয়টি সামাজিক সমস্যা সেই কারনে এই এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান ইন্জিনিয়ার আরিফুর রহমান বিষয়টি সমাধানের জন্য চেষ্টা করেন ।কিন্তু সুদী ব্যবসায়ী তার সুদের টাকা না নিয়ে আপস হবে না বলে চলে যান । এ ব্যাপারে সুশীল সমাজের দেলোয়ারা বেগম এবং প্রিন্স জুয়েল মাহামুদ জানান ,আমরা এর বিচার চাই সুশীল সমাজের জনপ্রতিনিধির কাছে ।এবং একুশের কন্ঠের কাছে বিশেষ অনুরোধ যেন আমাদের গ্রামেটি সুদী মুক্ত হয় এবং আমাদের দুভোর্গের বার্তা যেন সকলের কাছে পৌছে যায় । এবিষয়ে উপজেলা সমবায় সমিতির অফিসার রওশন আরা জানান, উপজেলাতে সরকার অনুমোদিত বিভিন্ন নিবন্ধন সমবায় সমিতি রয়েছে, কিন্তু সুদ ব্যবসায়ীদের কোন নিবন্ধন নেই । এটি আমাদের আইনের বাহিরে ।তবে যদি কোন প্রতিষ্ঠান ভূয়া এনজিও নাম বলে কার্যক্রম চালয়, তাহলে নগদ ৫ হাজার টাকা জরিমানা ।এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও ৭ বছর কারাদন্ডের বিধান রয়েছে ।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00