ব্রেকিং নিউজঃ

কোটি টাকা থেকে বঞ্চিত কুড়িগ্রামের কৃষকরা

কোটি টাকা থেকে বঞ্চিত কুড়িগ্রামের কৃষকরা
bodybanner 00

কুড়িগ্রামের ৯ উপজেলার নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলে এবার প্রচুর পরিমাণ সরিষার আবাদ হলেও শুরু হয়নি সর্বত্র মৌচাষ। সরিষা ক্ষেতে মৌচাষের ধারণা ও প্রশিক্ষণ না থাকায় কয়েক কোটি টাকার বাড়তি উপার্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এখানকার চাষীরা। ফলশ্রুতিতে সম্ভব হচ্ছে না সরিষার বাড়তি ফলন নিশ্চিত করাও।

কোটি টাকা থেকে বঞ্চিত কুড়িগ্রামের কৃষকরা

বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবার কুড়িগ্রামের কৃষকরা বিপুল পরিমাণে সরিষার চাষ করেছে। চরাঞ্চলের বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে এখন সরিষা ফুলের সমারোহ। সরষে ফুলের মধু আহরণে আসছে ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি, তবে সব এলাকায় এখন পর্যন্ত আসেনি মৌ চাষের ধারণা। কেবল জেলার ৯ উপজেলার মধ্যে রৌমারী উপজেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মৌচাষীরা এসে মৌচাষ করছেন। অন্যান্য এলাকাগুলোতে প্রশিক্ষণ না থাকায় শুরু হয়নি মৌচাষ।

 

কৃষি বিভাগের তথ্যানুযায়ি এবার জেলায় ১২ হাজার ৮৯৪ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। প্রতি হেক্টর সরিষা ক্ষেতের পাশে ১০০টি মৌবক্সে মধু চাষ করা সম্ভব। সরিষা মৌসুমে তিন সপ্তাহে প্রতি বক্স থেকে ৯ থেকে ১০ লিটার মধু সংগ্রহ করা যায়। সেই হিসেবে জেলার চাষকৃত সরিষা ক্ষেতের পাশে কমপক্ষে ১২ লাখ মৌবক্স বসিয়ে মধু চাষ করা সম্ভব। এতে যে মধু সংগ্রহ করা যাবে তা থেকে কমপক্ষে ৮ কোটি টাকা বাড়তি উপার্জন সম্ভব।

 

রৌমারী উপজেলার বাইটকামারীর চরের কৃষক মোত্তালেব মিয়া জানান, আমরা এবার প্রচুর পরিমাণে সরিষার আবাদ করেছি। তবে মৌ চাষের কোনো প্রশিক্ষণ আমাদের নেই।

Brand Bazaar

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মিলন চৌধুরী জানান, এবার চরাঞ্চলগুলোতে প্রচুর পরিমাণ সরিষা উৎপাদনের সম্ভবনা রয়েছে। তবে কৃষক পর্যায়ে মৌ চাষের প্রশিক্ষণ থাকলে বাড়তি আয়ের পাশাপাশি পরাগায়নের মাধ্যমে আরো বেশি ফলন পাওয়া যেত।

Facebook Comments

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00