ব্রেকিং নিউজঃ

কলাপাড়ায় পল্লী বিদ্যুতের ৩০ হাজার গ্রাহকের জন্য মাত্র একজন ক্যাশিয়ার ভোগান্তিতে সাধারন গ্রাহকরা

কলাপাড়ায় পল্লী বিদ্যুতের ৩০ হাজার গ্রাহকের জন্য মাত্র একজন ক্যাশিয়ার ভোগান্তিতে সাধারন গ্রাহকরা
bodybanner 00
মো.মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ-
কলাপাড়া পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ৩০ হাজার গ্রাহকের জন্য রয়েছে মাত্র একজন ক্যাশিয়ার। একজন ক্যাশিয়ারের কাছে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে থেকে দিতে হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল। আর এতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারন গ্রাহকদের।  কলাপাড়া পল্লীবিদ্যুৎ জোনে রয়েছে কলাপাড়া, মহিপুর, তালতলী ও আমতলী (আংশিক) মোট চারটি থানা। এ সব থানার ২২ টি ইউনয়নের গ্রাহক সংখ্যা রয়েছে ৩১হাজার নয়শত ২৭জন। আর এ গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে রয়েছে শুধুমাত্র একজন  ক্যাশিয়ার।
কলাপাড়ায় পল্লী বিদ্যুতের ৩০ হাজার গ্রাহকের জন্য মাত্র একজন ক্যাশিয়ার ভোগান্তিতে সাধারন গ্রাহকরা যার কারনে বিদ্যুৎ বিল দিতে এসে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারন গ্রাহকদের। অভিযোগ রয়েছে বিদ্যুৎ বিল দিতে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকতে হয় গ্রাহকদের। এতে ধের্য্য হারিয়ে বিদ্যুৎ বিল না দিয়েই ফিরে যাচ্ছেন অনেকে। আবার অনেকেই গড়িমশি করে বিদ্যুৎ বিল দিতে আসেননা। আর এতে গ্রাহকরা দুষছেন ক্যাশিয়ারকে। অনেকেই নিরুপায় হয়ে এসব কারনে অভিযোগ করলেও কর্নপাত করেননা পল্লী বিদ্যুত সংশ্লিষ্ট কেউ। তাছাড়া একজন ক্যাশিয়ারের পক্ষে এত বিল গ্রহন করাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যদিও কলাপাড়া শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন তথ্য সেবা, এজেন্ট ব্যাংকিং এবং টেলিটকের মাধ্যমেও বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করা যায়। কিন্তু কলাপাড়া শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে গিয়েও চোখে পড়ে একই চিত্র। তাছাড়া প্রচার অভাবে অনেকই জানেননা জিজিটাল পদ্ধতিতে বিল পরিশোধের কথা। তবে  বিদ্যুতের বিল পরিশোধের জন্য যদি আরও একজন ক্যাশিয়ার থাকত, তবে ভোগান্তি কিছুটা কমত বলে মনে করেছেন সাধারন গ্রাহকরা।
কলাপাড়া পৌর শহরের গ্রাহক করিম মোল্লা জানান, এক ঘন্টা দাড়িয়ে থেকেও বিদ্যুৎ বিল দিতে পারিনাই, তবে পরের মাসে একসাথে বিলম্ব ফি সহ দুইটা বিল দিয়েছি।
নীলগঞ্জ ইউনিয়নের গ্রাহক জবেদ আলী জানান, গেল মাসের বিলটা দিতে গিয়েও দিতে পারি নাই, লাইনে দাড়িয়ে থেকে আবার ফিরে এসেছি। এহন একলগে দুইটা বিল দেওয়া লাগবে। মোরা খেটে খাওয়া মানুষ, একলগে কেমনে যে দুইটা বিলটা দিমু। কলাপাড়া পল্লী বিদ্যূৎ সমিতির ডিজিএম সুবেদ সরকার কুমার জানান, ৩৫০০০ হাজার গ্রাহকের জন্য ডিজিটাল প্রিপেইড মিটারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ডিসেম্বর মাসের মধ্যে অধিকাংশ গ্রাহকরা প্রি-পেইড মিটারের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে পারবে।

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00