ইজতেমা ময়দান এলাকায় যে কারণে তাবলীগ জামাতের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ

ইজতেমা ময়দান এলাকায় যে কারণে তাবলীগ জামাতের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ
bodybanner 00

জোড় ইজতেমায় অংশ নেয়াকে কেন্দ্র করে টঙ্গী ইজতেমা ময়দান এলাকায় তাবলীগ জামাতের দু’পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ বলছে, দুইপক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছেন তারা। 

তাবলীগ জামাত সংশ্লিষ্টরা বলেন, ভারতের মাওলানা ইলিয়াস রহমতুল্লাহে আলাইহের হাত ধরে তাবলীগের সূচনা। এ পর্যায়ে বিশ্ব তাবলীগ জামাতের আমির হন মাওলানা ইলিয়াসের পৌত্র মাওলানা সাদ। গেলো বছর বিশ্ব ইজতেমার আগে তার একটি মন্তব্যের কারণে মাওলানা জুবায়েরপন্থীদের সঙ্গে বিরোধ শুরু হয়। এর জের ধরে গেল বছর ইজতেমায় অংশ নিতে দেয়া হয়নি মাওলানা সাদকে।

পরে মাওলানা সাদের সঙ্গে দুইপক্ষের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এ বছরে ৩০ নভেম্বর থেকে চারদিন সাদের অনুসারীরা এবং ৭ ডিসেম্বর থেকে পরের চারদিন মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা জোড় ইজতেমায় অংশ নেবেন। কিন্তু সপ্তাহখানেক ধরেই মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা মাঠ দখল করে রেখেছেন।

সমঝোতা হওয়ার পরও কেন মাঠ দখলে রাখা হয়েছে কিংবা মাওলানা সাদের অনুসারীদের ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না- প্রশ্ন ছিলো মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীদের কাছে।

এদিকে পুলিশ বলছে, দুই পক্ষকেই বুঝিয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন তারা। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা এবং ৩০ নভেম্বর থেকে মাওলানা সাদের অনুসারীদের কর্মসূচি থাকার পরও মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীদের মাঠে জড়ো হতে দেয়া হলো কেন- এমন প্রশ্নের সঠিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

মাওলানা সাদ ও মাওলানা জোবায়ের তাদের দু পক্ষের লোকজন তারা নিজেদের লোকজন তারা নিজেরাই সংঘর্ষ বাধিয়েছে। আমরা মাঝখান থেকে তাএর দুজকেই আলাদ করে দিয়েছি। নির্দেশনার ব্যপারে আমাদের কিছু নেই। আমরা উত্তরা ডিভিশন থেকে যতটুকু আছে নিজেরাই পরামর্শ করে সমাধান করছি।’

 

Facebook Comments

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00