ব্রেকিং নিউজঃ

আশুলিয়ার জাহাঙ্গিরনগর বিশমাইল গেটে অটো-বাইক থেকে ব্যাপক চাঁদাবাজি

আশুলিয়ার জাহাঙ্গিরনগর বিশমাইল গেটে অটো-বাইক থেকে ব্যাপক চাঁদাবাজি
bodybanner 00

মোঃ আল মামুন খান, আশুলিয়াঃ ঢাকার সাভার উপজেলারআশুলিয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশমাইল গেট এলাকায় বিশমাইল-জিরাবো পর্যন্ত সড়ক দিয়ে চলাচলকারী অটো-বাইক ও সিএনজি টেম্পু থেকে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

চাঁদাবাজির এই জাহাঙ্গীরনগর বিশমাইল গেট এলাকা পয়েন্ট  আগে হাইওয়ে ট্রাফিকের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আপাতত এই স্থানটি ঢাকা জেলা ট্রাফিক পুলিশের নিয়ন্ত্রণাধীন। অটোবাইক এবং টেম্পুর এই  স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন ব্যাপক চাঁদাবাজির মাধ্যমে টাকা তোলা হচ্ছে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অটো-চালক দুঃখ করে বলেন, সারাদিন যা আয় করি, এর একটা বিরাট অংশই চলে যায় প্রতিটি অটো থেকে ৩০ (ত্রিশ) টাকা এবং মাসে এককালীন ১৩০ (একশত ত্রিশ) টাকা দেওয়ায়। আর এই টাকা তুলে থাকে সবুজ নামের একজন যার বাড়ি কাঠগড়া এলাকায়। সে আবার এই টাকা নিয়ে কাঠগড়ার এক স্থানীয় নেতা যার নাম মহিউদ্দিন সরকার তাকে দেয়। তিনি আবার আশুলিয়া থানা পুলিশকে ‘রাতে চালকদের নিরাপত্তা দেবার’ নামে পুলিশের গাড়ির তেলের খরচ হিসেবে প্রতিদিন ৪০০ (চারশত) টাকা করে দেন।

এব্যাপারে মহিউদ্দিন সরকারের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাঁদাবাজির ঘটনাটা সঠিক না। এখানে আগে রাতে এই রোডে ডাকাতি হতো। তখন আমরা মর্ণিং গ্লোরি স্কুলের একটু সামনে আশুলিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় একটি ‘চেক-পোষ্ট’ বসিয়েছিলাম যা এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। এজন্য রাতের নিরাপত্তা দিতেই আমরা প্রতিটি অটো-বাইক থেকে টাকা তুলে ওদেরকে রাতের বেলায় নিরাপত্তা দেওয়াই। মূলত এজন্যই এই টাকাটা তোলা হয়। আর যে লোকটা এই টাকা তোলে সেই লাইনম্যানকে প্রতিদিন দেয়া লাগে ৪০০ টাকা। তাহলে আর টাকা থাকে কত যে আমি নেবো?

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়ালের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, প্রতিদিন ৪০০ টাকা নেবার ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকা জেলা ট্রাফিক পুলিশের সাভারে কর্মরত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সুশান্ত’র কাছে এই চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এখানে আমাদের জেলা পুলিশের কোনো সম্পৃক্ততা নাই। আমাদের সামনে এ ধরণের কোনো টাকা তোলা হয় না। এখন অটো-বাইকের চালকেরা নিজেরাই যদি গোপনে টাকা দিয়ে থাকে সেক্ষেত্রে আমরা কি করতে পারি বলেন? আর আমাদের ট্রাফিকদের কারো বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থেকে থাকে তবে লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আশুলিয়া

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bodybanner 00